Home » এক্সক্লুসিভ » ‘আপনি শুক্রবার সন্ধ্যায় কার সঙ্গে দেখা করেছেন? মওদুদকে তারেক জিয়া

‘আপনি শুক্রবার সন্ধ্যায় কার সঙ্গে দেখা করেছেন? মওদুদকে তারেক জিয়া

সরকারের নানা চাপে তালমাতাল বিএনপি । জেলে বন্দি দলের চেয়ারপারসন এবং তাতে আরও নড়বরে বিএনপি। স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদের চতুর্মুখী চরিত্রের কথা সকলেরই কম বেশি জানা আছে। আইন বিষয়ে বিশদ জ্ঞানের অধিকারী ব্যক্তি বিএনপিতে যতোজন রয়েছেন তাদের মধ্যে মওদুদ আহমেদ অন্যতম।

বিশেষ করে মামলা সক্রান্ত বিষয়ে খালেদা জিয়া মওদুদ আহমেদের উপর একটু বেশিই নির্ভরশীল ছিলেন। খালেদার বেশিভাগ মামলায় তিনি অফিসিয়ালি আইনজীবী না হলেও বুদ্ধি-পরামর্শ তিনিই দিতেন বলে ধারণা করা হয়ে থাকে। এজন্যই দলে তার কদর খানিকটা বেশি।

এদিকে দুর্নীতির মামলায় বেগম জিয়া কারাগারে রয়েছেন ৫দিন হতে চললো। এখনো পর্যন্ত তার জামিন আবেদন না হওয়ায় বিএনপির সাধারণ কর্মীদের মধ্যে এক ধরণের সন্দেহ দানা বাধতে শুরু করে দিয়েছে। তাদের সন্দেহের তীর গুটি কয়েক নেতার দিকে। যারা চেয়ারপারসনের আইনী বিষয়গুলো দেখাশুনা করতেন।

আর এই সন্দেহের বিষয়টি আরও গাঢ় হলো সম্প্রতি একটি ফোন কলকে ঘিরে।

বিশেষ সূত্রে জানা গেছে, সম্পতি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদকে লন্ডন থেকে ফোন করেন খোদ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়াপারসন তারেক রহমান।

তারেকের ফোন পেয়ে একটু খুশিই হয়েছিলেন মওদুদ। কিন্দু তার সেই খুশি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।

ফোন করেই তারেক রহমান মওদুদকে জিজ্ঞেস করেন ‘আপনি শুক্রবার সন্ধ্যায় কার সঙ্গে দেখা করেছেন? মওদুদ একটু থতমত খেয়ে বলেন, এ কথা জিজ্ঞেস করলেন কেন বলুন তো? অপর প্রান্ত থেকে বলা হলো, শুক্রবার বিকেলে আপনি সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

ব্যরিস্টার মওদুদ প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে স্বীকার করলেন। পরক্ষণেই বললেন ‘ওটা ছিল স্রেফ সৌজন্য সাক্ষাৎ। তিনি আমার আত্মীয়।

এরপর তারেক জানতে চাইলেন তাঁর মায়ের জামিনের কি হলো? উত্তরে মওদুদ বললেন, সময় লাগবে। তাহলে আপনি পাবলিককে বললেন কেন যে রোববার-সোমবার জামিন হবে। ব্যারিস্টার মওদুদ বলেন, সার্টিফায়েড কপি না পেলে কি করব। অপর প্রান্ত থেকে জানতে চাওয়া হলো ‘কত টাকা দিলে সার্টিফায়েড কপি দ্রুত পাওয়া যাবে।’ এবার বিনয়ী মওদুদ একটু বিরক্তই হলেন বললেন, ‘টাকা দিয়ে সব কিছু হয় না।

আপনি যতদিন ভাববেন টাকা দিয়েই সব কিছু হয়, ততদিন ভুলেই ডুবে থাকবেন। রাজনীতি করতে হলে এই চিন্তা মাথা থেকে নামাতে হবে। টাকাই আপনাকে শেষ করবে। বলেই ফোন কেটে দিলেন মওদুদ।

এদিকে ফোনের বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার না করলেও কথা শেষ না করে ফোন রেখে দেওয়া বা অসৌজন্যমূলক কথাবার্তার বিষয়টি নাকচ করে দেন।

daily-bangladesh

মন্তব্য

আপনার ইমেইল গোপন থাকবে - আপনার নাম এবং ইমেইল দিয়ে মন্তব্য করুন, মন্তব্যের জন্য ওয়েবসাইট আবশ্যক নয়

*

Open

Close