ব্রেকিং:
Home » ইসলাম » ইসলাম ধর্মে মেয়েদের চাকরি করা জায়েজ আছে কী?

ইসলাম ধর্মে মেয়েদের চাকরি করা জায়েজ আছে কী?

ইসলাম ধর্মে মেয়েদের চাকরি করা জায়েজ আছে কী? আর মেয়েরা বিয়ের পর চাকরি করলে তার আয় কী স্বামী খরচ করতে পারবে?
প্রশ্নটি আমাদের ফেসবুক পেজে করেছেনঃ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন তরুণী।
চাইলে আপনিও যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন আমাদের কাছে। আর নিজের নাম গোপন রাখতে চাইলে প্রশ্ন পাঠাতে পারেন পেজের ইনবক্সে, সঙ্গে লিখে দিতে হবে ‘নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক’।

>স্বাস্থ্য হোক বা সৌন্দর্য, খেলা হোক বা সিনেমা, দাম্পত্য বা প্রেম, অফিসের সমস্যা কিংবা আইনি সমস্যা , বিজ্ঞান হোক বা রাজনীতি, স্কুল-কলেজ হোক বা সামাজিক ও পারিবারিক কোনো সমস্যা, যেকোনো সমস্যা লিখে জানান আমাদের। আপনার হয়ে সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করবেন আমাদের ‘প্রিয় বিশেষজ্ঞ পরিবার’।

আপনার প্রশ্ন, বিশেষজ্ঞের উত্তর।
আপনার জন্যই অপেক্ষায় আছি আমরা।
বিশেষজ্ঞের উত্তর ইসলামি নির্দেশনা মেনে মেয়েরা চাকরি করতে পারবে। চাকরি করার ক্ষেত্রে একজন নারীকে নিচের শর্তগুলো মেনে চলতে হবে।
১. স্বামী বা অভিভাবকের অনুমতি।
২. পর্দা রক্ষা করা।
৩. নারীর চাকরির কারণে নারীর আসল দায়িত্বে ব্যাঘাত না ঘটা, যেমন: মাতৃত্ব, শিশুর অধিকার নষ্ট না হওয়া, স্বামীর অধিকার নষ্ট না হওয়া, বাসায় ছেলে-মেয়েদের সার্বিক লালন পালনে ঘাটতি না হওয়া ইত্যাদি।
৪. নারীসুলভ চরিত্র নষ্ট না হওয়া (যেমন: লজ্জাহীন হওয়া, বীরত্বপনা করতে গিয়ে পুরুষের মত হওয়া যেমন পুলিশ, আর্মি হওয়া) এ ধরনের এমন কাজ যা নারীর কোমলতা, লজ্জা এবং নারীসুলভ চরিত্র নষ্ট করে।
৫. কর্মস্থল নারীদের জন্য বিশেষায়িত হওয়া। যেমন মহিলা বিদ্যালয়, ব্যাংকের মহিলা শাখা অথবা যেসব স্থানে শুধু মহিলারা কাজ করেন এমন পরিবেশে।
৬. পুরুষের সাথে সহকর্মী না হওয়া। নারী পুরুষ একসাথে মিলেমিশে চাকরি করা যাবে না।
৭. নারীর চাকরি করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই এমন অবস্থা তৈরি হওয়া।

স্ত্রীর টাকা স্বামী খরচ করতে কোনো আপত্তি নেই যদি না স্ত্রী আপত্তি করে।
পরামর্শ দিয়েছেন :
মুহাম্মদ আমিনুল হক
সহযোগী অধ্যাপক

পিএইচডি গবেষক&
কিং আব্দুল আজীজ ইউনিভারর্সিটি জেদ্দা
সৌদি আরব।

পরিচিতি : পুরো নাম মুহাম্মদ আমিনুল হক। তিনি ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮১ সালে বরিশালের ঝালকাঠি জেলা, থানা রাজাপুরের পশ্চিম চাড়াখালী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম আলহাজ্ব মাওলানা মুজ্জাম্মিলুল হক এবং মাতার নাম ফাতেমা বেগম। মুহাম্মদ আমিনুল হক’রা ৪ ভাই ও ২ বোন। বড় ভাই, মাওলানা মুহাম্মদ সাইফুল হক, পশ্চিম চাড়াখালী আজিজিয়া সিনিয়র মাদরাসা এর অধ্যক্ষ, মেঝ ভাই, মাওলানা মুহাম্মদ শহীদুল হক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ-যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং ছোট ভাই মুহাম্মদ ফয়জুল হক, মালয়েশিয়ায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষক। মুহাম্মদ আমিনুল হক এর স্ত্রীর নাম রুকাইয়া ইসলাম। তাদের ২ ছেলে, বড় ছেলে ইহতিশামুল হক (বয়স: ৬ বছর) এবং ছোট ছেলে ইমতিয়াজুল হক (বয়স: সাড়ে চার বছর)। বর্তমানে গবেষণার জন্য তিনি সৌদি আরবের জেদ্দাতে বসবাস করছেন।
পড়াশোনা : মুহাম্মদ আমিনুল হক দাখিল পাস করেন পশ্চিম চাড়াখালী আজিজিয়া দাখিল মাদরাসা থেকে এবং তার কলেজ ছিল ঝালকাঠী এন.এস. কামিল মাদরাসা। এরপরে তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া থেকে পড়াশোনা সম্পন্ন করেন।
পেশা : মুহাম্মদ আমিনুল হক পেশাগত জীবনের শুরু করেন শিক্ষকতা দিয়ে। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন তবে এখন শিক্ষা-ছুটিতে সৌদি আরবের কিং আব্দুল আজীজ ইউনিভারর্সিটি জেদ্দাতে পিএইচডি গবেষক হিসেবে কর্মরত আছেন।

প্রিয় পরিচিতি : প্রিয় ব্যক্তিত্ব বাবা, মা, ভাই, বোন, স্ত্রী, বিশেষ যোগ্যতা বক্তৃতা, লেখালেখি, গাড়ী চালানো, রান্না-বান্না, প্রিয় সিনেমা ভুমিকম্প (ইরানি ছবি, বাংলায় ডাবিংকৃত), প্রিয় বই: ছুয়ারুম মিন হায়াতিস সাহাবা, প্রিয় খাবার বিরিয়ানি, পোলাউ, ইলিশ, চিংড়ি, প্রিয় রং সাদা, প্রিয় স্থান/ মক্কা ও মদীনা শরীফ, প্রিয় শিক্ষক ড. আবুল কালাম আজাদ (বৃটেন প্রবাসী)
অপ্রাপ্তি ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা তাঁর জীবনে কোনো অপ্রাপ্তি নেই, আল্লাহ তাকে সব দিয়েছেন এবং তার ভবিষ্যত পরিকল্পনা জনসেবা করা।
মন্তব্য ‘যা হওয়ার কথা ছিল তাই হয়েছি। আমিন।’

মন্তব্য

আপনার ইমেইল গোপন থাকবে - আপনার নাম এবং ইমেইল দিয়ে মন্তব্য করুন, মন্তব্যের জন্য ওয়েবসাইট আবশ্যক নয়

*

Open

Close