ব্রেকিং:
Home » অন্যান্য » কাটাছেঁড়া সারাতে ব্যবহার করুন এই ঘরোয়া উপাদানগুলো ! শতভাগ কার্যকর !

কাটাছেঁড়া সারাতে ব্যবহার করুন এই ঘরোয়া উপাদানগুলো ! শতভাগ কার্যকর !

প্রতিদিনের রান্নাবান্নাতে কাটাকাটি করা তো হয়েই থাকে সকলের। আর কোন বিশেষ দিন মানে রান্নাবান্নার পরিমাণ বেশী, সাথে কাটাকাটির পরিমাণটাও বেশী। আর সেই বিশেষ দিনটা যদি হয়ে থাকে কোরবানির ঈদের দিন তাহলে তো আর কথাই নেই। রান্নাবান্নার জন্যে কাটাকাটির পাশাপাশি থাকে কোরবানির মাংস কাটার পর্ব। দা, বটি, ছুরি নতুন করে ধার করিয়ে এনে একেবারে প্রস্তুত থাকতে হয়।

তবে এই সকল প্রস্তুতির পাশাপাশি নিজের প্রতি খেয়াল রাখার কথা ভুলে গেলে চলবে না। এতো সকল কাজ এবং প্রচুর কাটাকাটির সময়ে অসাবধানতায় অনেক সময় হাত কেটে যায়। কাজের মধ্যে এমনভাবে হাত কেটে গেলে নিত্যদিনের ব্যবহার্য কিছু উপাদান দিয়েই খুব কম সময়ের মধ্যে ক্ষতস্থানের রক্তপাত বন্ধ করতে পারবেন আপনি।

আজকের এই ফিচারে জেনে নিন ঘরোয়া সহজ কিছু উপাদানের নাম যা সাহায্য করবে আপনার ক্ষতস্থানের রক্তপাত বন্ধ করতে এবং ক্ষতস্থান দ্রুত সারিয়ে তুলতে।

হলুদ গুঁড়া

রান্না করার সময়ে পেঁয়াজ, মরিচ কিংবা টমেট কাটার সময়ে হাত কেটে গেলে দ্রুত হলুদ গুঁড়া লাগিয়ে নিন কেটে যাওয়া স্থানে। হাত কেটে যাওয়ার পরপরই হলুদ গুঁড়া কেটে যাওয়া স্থানে লাগিয়ে নিলে সেটা রক্তপাত বন্ধ করতে সাহায্য করবে এবং পরবর্তীতে ক্ষতস্থানেইনফেকশন হতে বাঁধা দেবে।

অ্যাপল সাইডার ভিনেগার (এভিসি)

অ্যাপল সাইডার ভিনেগারের চুলকানি প্রতিরোধ মূলক বৈশিষ্ট্যের জন্যে যেকোন ধরণের কাটা ছেঁড়ায় এসিভি দারুণ কাজে দেয়। কেটে যাওয়া ক্ষত দ্রুত সারিয়ে তুলতেও এসিভি দারুণ উপকারী।

চিনি

চিনি বেশী পরিমাণে খাওয়া আপনার স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর হলেও আপনার শরীরে কোথাও কেটে গেলে এই একই উপাদান ক্ষতস্থানের জন্য দারুণ উপকারী। কেটে যাওয়া থাকের উপর কিছু পরিমাণে চিনি ছড়িয়ে দিন। চিনি কেটে যাওয়া স্থানের পানি শোষণ করতে সাহায্য করে থাকে। তবে কেটে যাওয়া স্থানে চিনি দেওয়ার ১৫ মিনিট পর অবশ্যই পরিষ্কার পানি দিয়ে ক্ষতস্থান ধুয়ে নিবেন।

মধু

যে কোন ধরণের কাটাছেঁড়া এবং ক্ষতস্থানের জন্য মধু দারুণ উপকারী এবং এন্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান হিসেবে কাজ করে থাকে। মধু আপনার কেটে যাওয়া স্থানে ইনফেকশন হওয়া থেকে এবং ফুলে যাওয়া প্রতিরোধ করে।

এমনকি পুড়ে যাওয়া ক্ষত সারাতেও মধু জাদুকরীভাবে কাজ করে থাকে। বিভিন্ন গবেষণা থেকে জানা গেছে যে, পুড়ে যাওয়া ক্ষত সারাতে মধু ব্যবহার করলে সেটি ১১ দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যায়। যেখানে মধু ছাড়া চিকিৎসা করলে আরো চারদিন বেশী সময় লাগে ভালো হতে।

অ্যালোভেরা

হাত কেটে গেলে দ্রুত অ্যালভেরা জেল লাগিয়ে নিন কেটে যাওয়া স্থানে। অ্যালোভেরা পাতা বাসাতে থাকলে পাতার দুই পাশের কাঁটা ফেলে দিয়ে পাতার মাঝ বরাবর কেটে অ্যালোভেরার ঘন অংশ বা অ্যালোভেরা জেল চামচ দিয়ে বের করে সরাসরি কেটে যাওয়া স্থানে লাগিয়ে নিন।

টিব্যাগ

চা হালকা এস্ট্রিঞ্জেন্ট হিসেবে কাজ করে। যা কাটাছেঁড়া এবং কামড়ের ক্ষত সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে থাকে। টি ব্যাগ কাটা স্থানে সরাসরি লাগালে রক্তপাত বন্ধ হতেও সাহায্য করে থাকে।

সূত্র: দ্যা টাইমস অফ ইন্ডিয়া।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

রোগ নিরাময়ে মুলার ভূমিকা, দারুন সব উপকারিতা

মুলার ঝাঁঝ ওয়ালা গন্ধের কারণে অনেকে নাক কুঁচকে ফেলেন। তাই আর খাওয়া হয়ে ওঠে না। অথচ এই সবজিটি হতে পারে আপনার অসংখ্য রোগ থেকে মুক্তির উপায়।

সহজলভ্য এবং পর্যাপ্ততা থাকায় আপনিও অনায়াসে খেতে পারেন অসাধারণ উপকারী এই সবজি। প্রতি ১০০ গ্রাম মুলাতে প্রোটিন আছে ০.৭ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৩.৪ গ্রাম, ভিটামিন ‘এ’ ০.০ আইইউ, ফ্যাট ০.১ গ্রাম, আঁশ ০.৮ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৫০ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ২২ মিলিগ্রাম, লৌহ ০.৪ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ১৩৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন ‘সি’ ১৫ মিলিগ্রাম।

বাজারে পাওয়া সাদা ও লাল দুই ধরনের মুলাতে আছে সমান পুষ্টিগুণ। মজার বিষয় হল, মুলার চেয়ে এর পাতার গুণ অনেক বেশি। কচি মুলার পাতা শাক হিসেবে খাওয়া যায় এবং খুবই মজাদার।

পাতাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, সি পাওয়া যায়। খাবার উপযোগী ১০০ গ্রাম মুলাপাতায় আছে আমিষ ১.৭ গ্রাম, শ্বেতসার ২.৫ গ্রাম, চর্বি ১.০০ গ্রাম, খনিজ লবণ ০.৫৭ গ্রাম, ভিটামিন সি ১৪৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ বা ক্যারোটিন ৯ হাজার ৭০০ মাইক্রোম ভিটামিন বি-১০.০০৪ মিলিগ্রাম, বি-২০.১০ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩০ মিলিগ্রাম, লৌহ ৩.৬ মিলিগ্রাম, খাদ্যশক্তি ৪০ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ১২০ মিলিগ্রাম।

এই একটি মাত্র পানীয় হাড় মজবুত করবে, বৃদ্ধি করবে শরীরের কর্মক্ষমতা

আমাদের দেহের কাঠামো তৈরি হয় হাড়ের মাধ্যমে। দেহের আকৃতি ধরে রেখে সঠিক পরিচালনার জন্য হাড়ের গুরুত্ব অনেক। অথচ এই হাড়কে আমরা তেমন গুরুত্ব দেই না। দেহের সুস্থতার জন্য আমরা অনেক কাজ করি, অনেক ধরণের খাবার খাই। কিন্তু হাড়ের যত্ন তেমনভাবে নেওয়া হয় না। আর এই অযত্নের কারণে অল্প বয়সে হাঁটু ব্যথা, পা ব্যথা সহ অস্টিওপোরোসিস রোগ দেখা দেয়।

আপনি যদি মনে করেন হাড়ের যত্ন নেওয়ার জন্য আপনি অনেক তরুণ, তবে আপনি ভুল ধারনা করছেন। হাড় মজবুত করার জন্য প্রয়োজন নেই কোনো বয়সের, প্রয়োজন নেই বাড়তি কোনো যত্নের। একটি স্বাস্থ্যকর ডায়েট হতে পারে হাড় মজবুত করার পূর্ব শর্ত। এছাড়া একটি পানীয় আপনার হাড় মজবুত করার পাশাপাশি সারাদিনে কাজের শক্তি যোগাবে। এই পানীয়টি তৈরির জন্য খুব বেশি কিছুর প্রয়োজন নেই। ঘরে থাকা উপাদান দিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন এই পানীয়টি।

মন্তব্য

আপনার ইমেইল গোপন থাকবে - আপনার নাম এবং ইমেইল দিয়ে মন্তব্য করুন, মন্তব্যের জন্য ওয়েবসাইট আবশ্যক নয়

*

Open

Close