Home » শীর্ষ সংবাদ » কি কারনে সারাদেশে ইন্টারনেট কানেকশন বন্ধ হয়েছিলো?

কি কারনে সারাদেশে ইন্টারনেট কানেকশন বন্ধ হয়েছিলো?

আজ সারাদেশে ৩৪ মিনিট নেট কানেকশন অফ ছিলো। রাত ১০ টা ইন্টারনেট অফ করা হয় এবং ১০:৩০ এ নেট অন হয়।
বিস্তারিত আসছে,,,,,

জেল থেকে মুক্তি বিলম্বিত হলে অবিলম্বে হাসপাতালে যেতে চান বেগম জিয়া। বেগম জিয়ার সঙ্গে পাঁচ আইনজীবীর সাক্ষাতে বিএনপির চেয়ারপারসন এই মনোভাব ব্যক্ত করেছেন। যে আইনজীবীরা তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন তাঁরা এর সত্যতা স্বীকার করেছেন। আইনজীবীরা বেগম জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে ব্যক্তিগত চিকিৎসককে দিয়ে বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার আবেদন করেছেন।
শনিবার বিকেলে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ সহ পাঁচ জন আইনজীবী বেগম জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। জেলখানার একাধিক সূত্রগুলো বলছে, শুক্রবার কিছুটা শান্ত থাকলেও শনিবার অনেকটাই অস্থির হয়ে উঠেছেন বেগম জিয়া। সকাল থেকে অন্তত আটবার কারাগারের লোকজনকে ডেকে নানা সমস্যার কথা বলেছেন। মাঝে মধ্যেই মেজাজের খেই হারিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি করেছেন। বেগম জিয়া তাঁর আইনজীবীদের কাছেও বলেছেন তাঁকে অত্যন্ত নিম্ন মানের পরিবেশে রাখা হয়েছে। ডিভিশন মর্যাদা দেওয়া হয় নি। কিন্তু বেগম জিয়ার মান সম্পর্কে ডিআইজি প্রিজন বলেছে, ‘ওনাকে ডিভিশনের চেয়েও বেশি মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।’ কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, কারাগারে বেগম জিয়াকে যে কক্ষ দেওয়া হয়েছে, তা আধুনিক সাঁজসজ্জায় সজ্জিত।

কিন্তু বেগম জিয়া কারা কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেছেন, তার শোবার খাটটি যথেষ্ট নরম নয়। বেগম জিয়া সার্বক্ষণিক গরম পানি চান। কিন্ত তেমন ব্যবস্থা কারাগারে নেই। কারাগারের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তাঁর জন্য নিয়মিত পানি গরম করে সরবরাহ করা হচ্ছে। বেগম জিয়া কারা কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেছেন, তাঁর রুমের কার্পেট যথাযথ নয়। এটাতে প্রচুর ধূলো। কারা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সমাধানের জন্য শনিবার দুবার কার্পেট পরিষ্কার করেছেন। বেগম জিয়া কারাগারের খাবারের মান নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, বেগম জিয়ার জন্য আলাদাভাবে রান্নার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বেগম জিয়া তাঁর কক্ষে রক্ষিত টেলিভিশনে হিন্দি চ্যানেল বিশেষ করে স্টার প্লাস এবং কালারস এ দুটি চ্যানেল দেখতে চান। কিন্ত কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, কারাগারে ডিশ সুবিধা নিয়ন্ত্রিত। এখানে শুধু বাংলাদেশি চ্যানেল দেখানো যায়। আইনজীবীরা আসার আগে বেগম জিয়া কারাগারের বিভিন্ন অসুবিধা নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। পরে আইনজীবীদেরও তিনি একই অভিযোগ করেছেন।
কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, কারাগারে ব্যক্তিগত চিকিৎসক দেখানোর কোনো সুযোগ নেই। কারাগারের চিকিৎসকরা তাঁকে নিয়মিত পরীক্ষা করছেন। এখন পর্যন্ত বেগম জিয়ার বড় কোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা যায়নি।
বাংলা ইনসাইডার

মন্তব্য

আপনার ইমেইল গোপন থাকবে - আপনার নাম এবং ইমেইল দিয়ে মন্তব্য করুন, মন্তব্যের জন্য ওয়েবসাইট আবশ্যক নয়

*

Open

Close