Home » শীর্ষ সংবাদ » কেন জামায়াতের মেয়র প্রার্থী প্রত্যাহার করতে হবে? যুগ যুগান্তরে কি আ’লীগ, বিএনপিরই মেয়র থাকতেই হবে?

কেন জামায়াতের মেয়র প্রার্থী প্রত্যাহার করতে হবে? যুগ যুগান্তরে কি আ’লীগ, বিএনপিরই মেয়র থাকতেই হবে?

কেন জামায়াতের মেয়র প্রার্থী প্রত্যাহার করতে হবে? যুগের পর যুগ কি আওয়ামী , বিএনপি মেয়র থাকতেই হবে ?

বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম ছাত্র সংগঠন ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি সেলিম কি মেয়র পদে দাঁড়াতে পারেন না ?

টাকার বাণিজ্যে কি বিএনপি অখ্যাত একজনকে মেয়র পদে দাঁড় করিয়ে দেবে ?


২০ দলীয় জোটের বৈঠকে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী প্রত্যাহার চায় জোট। কোনও কোনও নেতা তাবিথ আউয়ালের নাম উচ্চারণ করলেও অনেকেই কারও নাম উল্লেখ করেননি। কিন্তু আব্দুল আউয়াল মিন্টুর ছেলে তাবিথ আউয়াল গত মেয়র নির্বাচনে হারার আগে ও পরে বিএনপির জন্য কি করেছে?

বিএনপির খোকার কমিশন দুর্নীতিতে শুধু বিএনপির ক্ষতি হয়নি , হয়েছে দেশের , ২০ দলীয় জোটের।

জামায়াতের যে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে তাঁর নাম সেলিম উদ্দিন। তাই জামায়াত প্রার্থীরও প্রকাশ্যে তেমন কোনো তৎপরতা নেই। তবে সেলিম উদ্দিন এরইমধ্যে ঘরোয়া একাধিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। তার পক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ভোট চেয়ে প্রচারণা চলছে।


জামায়াত মনোনীত মেয়র প্রার্থী মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি। ছাত্ররাজনীতি শেষ করে জামায়াতের রমনা থানার দায়িত্বশীল হিসেবে যোগ দেন তিনি। পরবর্তী সময়ে এই থানার সভাপতি, এরপর অবিভক্ত ঢাকা মহানগর কমিটির সহকারী সেক্রেটারি পদে দেখা গেছে তাকে। পরে গত বছরের শুরুর দিকে উত্তর ও দক্ষিণ দুই ভাগে ঢাকা ভাগ হলে তিনি উত্তরের আমির নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি ঢাকা মহানগর উত্তরের আমীর ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য।

ঢাকা মহানগর উত্তরের আমীর ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সেলিম উদ্দিন।
সোমবার রাতে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী ২০ দলীয় জোটের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে বৈঠকটি রাত ৯টার দিকে শুরু হয়ে চলে রাত পৌনে ১১টা পর্যন্ত। এতে সভাপতিত্ব করেন বেগম খালেদা জিয়া।


বৈঠকে কয়েকটি এজেন্টার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্ব পায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) উপ-নির্বাচন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জোটের এমন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বৈঠকের অধিকাংশ বিষয় সময়জুড়ে আলোচ্য বিষয় ছিল (ডিএনসিসি) উপ-নির্বাচন।

প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে আলোচনা উঠলে সবাই কমবেশি কথা বলেন জামায়াতে ইসলামীর একক প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে।

বৈঠকে অংশ নেওয়া অন্য এক শীর্ষনেতা জানান, জোটের বৈঠকে তিনটি বিষয়ে আলোচনা হয়। এতে প্রধান বিষয় ছিল ডিএনসিসি উপ-নির্বাচনের প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে। জোটের শরিকরা প্রার্থী চূড়ান্ত করার বিষয়ে খালেদা জিয়াকে দায়িত্ব দিয়েছেন। এক্ষেত্রে তিনি যাকে মনোনয়ন দেবেন, তার জন্যই জোটের শরিকরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন বলে বৈঠকে নেতারা একমত হয়েছেন।


গত ৩ জানুয়ারি জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ ঢাকা উত্তরের আমির মো. সেলিম উদ্দিনকে ডিএনসিসি নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়।

বিস্তারিত আলোচনা শেষে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) উপ-নির্বাচনে একক প্রার্থী দেওয়ার বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট। এক্ষেত্রে অনানুষ্ঠানিকভাবে জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতে ইসলামী একক প্রার্থী মনোনয়নে বিষয়টি মীমাংসা করতে জোট-সমন্বয়ক মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনার ভার দেওয়া হয়েছে।

লেখকঃ স্বাধীন মাহফুজ মোহন (বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী ও অনলাইন একটিভিস্ট)
thevoiceofbd

মন্তব্য

আপনার ইমেইল গোপন থাকবে - আপনার নাম এবং ইমেইল দিয়ে মন্তব্য করুন, মন্তব্যের জন্য ওয়েবসাইট আবশ্যক নয়

*

Open

Close