ব্রেকিং:
Home » এক্সক্লুসিভ » খালেদার রায় নিয়ে দেশ-বাসীর উদ্দেশে যা বললেন তারেক জিয়া -দেখুন ভিডিওতে

খালেদার রায় নিয়ে দেশ-বাসীর উদ্দেশে যা বললেন তারেক জিয়া -দেখুন ভিডিওতে

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ে বেগম খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের এবং তারেক রহমানের ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। অন্য আসামিদের ১০ বছর করে কারাদণ্ড ঘোষণা করা হয়েছে।

কিন্তু এ রায় কোন প্রমান ছাড়া কেবলমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য দিয়েছে। এ বিষয়ে তারেক জিয়া ফেসবুক পেইজে লিখেছেন,‘কোন প্রমান ছাড়া কেবলমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য শেখ হাসিনার নির্দেশে আইন সচিব দুলালের লেখা রায় পড়ে শুনিয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

কিন্তু জনতার আদালতে পরাজয় হয়েছে হাসিনার। একটি অবৈধ রায় দেবার জন‍্য জনগনের ভয়ে তাকে দেশব্যাপী ১৪৪ ধারা জারি করতে হয়েছে।

তারপর ও জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেই ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে হাসিনার মুজিব কোর্টে দেয়া রায়ের প্রতি তাদের অনাস্থা জানিয়ে দিয়েছে। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে, রাজপথের সংগ্রাম ও চলবে। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।

তারেক জিয়ার অডিওটি আমরা আপনাদের সুবিধার্থে ভিডিও ফাইল করে নিচে দিয়ে দিয়েছি

এই মুহুর্তে অন্যরা যা পরছেন…

বেগম জিয়ার সাজা নিয়ে যা বললেন শেখ হাসিনা

পটুয়াখালী ও বরিশালের সীমানায় নিজ নামে করা সেনানিবাসের উদ্বোধন করে সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে তার পারিবারিক বন্ধনের বিষয়টি তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার পটুয়াখালী সফরে গিয়ে লেবুখালী এলাকায় দেশের ৩১ তম শেখ হাসিনা সেনানিবাসের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

এবং বেগম জিয়ার রায় নিয়ে তিনি বলেন, মানুষকে পুড়িয়ে মারলে এমনি বিচার হয়। লজ্জা থাকলে বেগম জিয়া আর কোন অপরাধ করবে না

সেনাবাহিনীর নয়টি ডিভিশনের আওতায় দেশে ৩০টি সেনানিবাস থাকলেও এতদিন দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় কোনো সেনানিবাস ছিল না। দক্ষিণাঞ্চলের ছয়টি জেলায় বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে ২০০ কিলোমিটার দূরের যশোর সেনানিবাসের সহায়তা নিতে হতো।

জাতীয় ও জনগুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তাসহ দক্ষিণ উপকূলের ৬ জেলার প্রাকৃতিক দুর্যোগ মেকাবেলায় দেড় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলার দেড় হাজার একর এলাকায় প্রতিষ্ঠা পেয়েছে সেনানিবাসটি। সেখানে মোট জনবল ১৭ হাজার।

এই সেনানিবাসটি উপকূলী এলাকার নিরাপত্তার পাশাপাশি দুর্যোগকালে দুর্গতদের জরুরি সহায়তা পৌঁছতে সহায়তা করবে বলে আশা করছেন প্রধানমন্ত্রী।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তার দুই ভাইয়ের সেনা সম্পৃক্ততার কথা তুলে ধরেন। বলেন, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে আমাদের রয়েছে সুদৃঢ় পারিবারিক বন্ধন। আমার ভাই শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। দ্বিতীয় ভাই শহীদ লে. শেখ জামাল ১৯৭৫ সালে রয়েল মিলিটারি একাডেমি স্যান্ড হার্স্ট্রয়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণ শেষে কমিশন লাভ করে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।’

‘ছোট ভাই রাসেলেরও ইচ্ছা ছিলো বড় হয়ে সেনাবাহিনীতে যোগ দেবে। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকরা সবাইকে নির্মমভাবে হত্যা করে।’

‘আমি আপনাদের মাঝে আমার হারানো ভাইদের খুঁজে পাই’- সেনা সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন শেখ হাসিনা।

এ সময় দেয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন সময়ে সেনাবাহিনীর অবদানের কথা স্মরণ করেন। বলেন, দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী একাগ্রতা, কর্মদক্ষতা ও নানাবিদ জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে।

‘যে কোনো দুর্যোগে আর্তমানবতার সেবায় ও জানমাল রক্ষায় সেনাবাহিনীর কর্তব্য ও দায়িত্বশশীল ভূমিকায় সবসময় প্রশংসিত হয়ে আসছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে শান্তি রক্ষায় বাংলাদেশ একটি ব্রান্ডনেম, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত গৌরবের।’

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযানের মুখে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে ছুটে আসে রোহিঙ্গদেরকে সহায়তায়ও সেনাবাহিনীর প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, এটি বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমুর্তিকে উজ্জ্বল করেছে।

সেনাবাহিনীকে আধুনিক ও শক্তিশালী হিসাবে গড়ে তুলতে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ দেশপ্রেমিক, পেশাদার সশস্ত্রবাহিনীকে বিশ্ব মমানের আধুনিক বাহিনীতে উন্নিত করতে আমরা বিভিন্ন পদক্ষপ নিয়েছি।’

‘তা্রাই ধারাবাহিকতায় ২০১৬ সালে এই ডিভিশনটি স্থাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি। আজ সাত পদাতিক ডিভিশনকে পূর্ণতা দেয়ার লক্ষ্যে ডিভিশন সদরদপ্তর ও দুইটি বিগ্রেড সদর দপ্তরসহ মোট ১১ টি ইউনিটের পতাকা উত্তোলিত হলো।’

সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছাড়াও এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মণি প্রমুখ।

Ekushey24

মন্তব্য

আপনার ইমেইল গোপন থাকবে - আপনার নাম এবং ইমেইল দিয়ে মন্তব্য করুন, মন্তব্যের জন্য ওয়েবসাইট আবশ্যক নয়

*

Open

Close