ব্রেকিং:
Home » অর্থনীতি » গরিব পরিবারের বহু কন্যাই জড়িয়েছেন এই ব্যবসায়!

গরিব পরিবারের বহু কন্যাই জড়িয়েছেন এই ব্যবসায়!

রাতপাখি, সন্ধ্যাতারা, ফুলকি বা মধু। কোচবিহারের প্রত্যন্ত এলাকা বা আসামের গ্রাম থেকে আসা কিছু তরুণীকে এই নামেই চেনেন কোচবিহারের অনেকে। তাঁদের ছবি রয়েছে। সেই ছবিই আগে যায় খদ্দেরদের হাতে।

ক্যাটালগের মতো করেই ছবি রাখা হয়। সেই ছবির নিচে লেখা থাকে তাঁদের সঙ্গ পাওয়ার জন্য কত ব্যয় করতে হবে। তারও নানা হিসেব রয়েছে। ঘণ্টাপিছু বা দিনের হিসেবে টাকার অংক ওঠানামা করে। কেউ যদি তাঁদের কাউকে নিয়ে বাইরে যান, তা হলে আর এক রকম খরচ।

কোচবিহারে মধুচক্রের হদিস পাওয়া পরে তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, শহরজুড়ে এই ব্যবসা ছড়িয়েছে। তাতে জড়িয়ে পড়ছেন গরিব পরিবারের অনেক কন্যাই। তাঁদেরই একজন নাম না জানানোর শর্তে বলেন, বাড়িতে অভাব। তাই এ ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না। অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়। পুলিশ সূত্রেই জানা গিয়েছে, শনিবার কোচবিহার শহর এলাকার হরিস পাল চৌপথীসংলগ্ন একটি লজে হানা দিয়ে একটি মধুচক্রের কারবারের হদিস মিলেছে। এমন অভিযোগ অবশ্য নতুন নয়। আগেও হোটেল থেকে দোকান একাধিক জায়গায় অভিযান হয়েছে। কয়েকজন ধরাও পড়েছেন। শনিবারের ঘটনায় ফের ওই কারবার চক্রের দৌরাত্ম্য সামনে এসেছে। কারা এই ব্যবসায় মদদ দিচ্ছেন, তা দেখতে হবে বলেও জোর দিয়েছেন বাসিন্দারা।

পুলিশ সুপার অনুপ জায়সবাল বলেন, লাগাতার অভিযান চলবে। তদন্তে সব কিছুই খতিয়ে দেখা হবে। পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শনিবার লজ থেকে ধৃত ৩ যুগল আপত্তিকর অবস্থায় ছিলেন। তাঁরা মাথাভাঙা ও দিনহাটার বাসিন্দা বলে দাবি করেছেন। ওই বক্তব্যর সত্যতাও যাচাই করা হচ্ছে। চক্রে আরো কারা জড়িত সেটা দেখা হচ্ছে। কোচবিহারের সাংসদ পার্থপ্রতিম রায় বলেন, জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে এমন দু-একটি অভিযোগ কানে এসেছে। পুলিশকে এসব ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বলেছি।
kalerkantho

মন্তব্য

আপনার ইমেইল গোপন থাকবে - আপনার নাম এবং ইমেইল দিয়ে মন্তব্য করুন, মন্তব্যের জন্য ওয়েবসাইট আবশ্যক নয়

*

Open

Close