Home » জাতীয় » গাড়ি ভাঙচুরে পুলিশ

গাড়ি ভাঙচুরে পুলিশ

রাজধানীর শ্যামলীতে গতকাল পুলিশের মোটরসাইকেলে ধাক্কা লাগা নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ওই গাড়ির ড্রাইভারকে মারধর ও গাড়ি ভাঙচুর করে পুলিশ। ছবি : কালের কণ্ঠ রাজধানীর শ্যামলীতে গতকাল পুলিশের মোটরসাইকেলে ধাক্কা লাগা নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ওই গাড়ির ড্রাইভারকে মারধর ও গাড়ি ভাঙচুর করে পুলিশ।
সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের একজন কার্ডিওলজি চিকিত্সকের ছেলে রাগিব মোহাম্মদ তিন বন্ধুকে নিয়ে প্রাইভেট কারে চড়ে বনানী যাচ্ছিল। শ্যামলী ট্রাফিক পুলিশ বক্সের সামনে রাগিবের গাড়ির সঙ্গে পুলিশের কনস্টেবল আরিফুল ইসলামের মোটরসাইকেলের হালকা ধাক্কা লাগে। এ নিয়ে বাগিবতণ্ডার একপর্যায়ে আরিফ তাঁর মোটরসাইকেলের হেলমেট দিয়ে রাগিবের গাড়ির পেছনের ও সামনের কাচ ভাঙচুর করেন। মারধর করেন রাগিবের দুই বন্ধুকেও। এই দৃশ্য দেখে পথচারীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। তারা পুলিশ কনস্টেবলকে আটক করে। খবর পেয়ে টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কনস্টেবল আরিফকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।


গতকাল শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে রাজধানীর আদাবর থানাধীন শ্যামলী ট্রাফিক পুলিশ বক্সের সামনে এ ঘটনা ঘটে। কনস্টেবল আরিফের বিরুদ্ধে আদাবর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ভুক্তভোগীরা। চার কিশোর রাগিব মোহাম্মদ, আহনাফ মাহদি, নাহিম ও অরিত্র ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল স্কলাস্টিকার নবম শ্রেণির ছাত্র।

রাগিবের মায়ের নাম ডা. সাবরিনা আরিফ। অভিযুক্ত আরিফ গুলশানে পুলিশের চেন্সেরি বিভাগে কর্মরত। তাঁর বাবা পুলিশের একজন কর্মকর্তা বলে জানা যায়।


শাহজাহান নামের এক পথচারী বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম। হঠাত্ দেখি একজন (কনস্টেবল আরিফ) হাতে থাকা হেলমেট দিয়ে একটি প্রাইভেট কার ভাঙচুর করছে। এ সময় রাস্তায় অনেক লোক ছিল। এতে পথচারীরা উত্তেজিত হয়ে ওঠে।’ আসলাম নামের অপর এক পথচারী বলেন, ‘ঘটনার সময় তার গায়ে পুলিশের কোনো পোশাকও ছিল না। তুচ্ছ কারণে পুলিশ ওই কিশোরদের মারধর করে গাড়িতে ওঠানোর চেষ্টা করে।’

ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) হাফিজ আল ফারুক কালের কণ্ঠকে বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। ঘটনায় কনস্টেবল জড়িত থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


রাগিবের বন্ধু অরিত্র বলে, ‘আরিফ হাতের লাঠি দিয়ে আমাদের মেরেছেন। আমরা অনেক অনুরোধ করার পরও তিনি কোনো কথা না শুনে বেদম পেটাচ্ছিলেন।’ আরিফুল কালের কণ্ঠকে বলেছেন, প্রাইভেট কারটি তাঁর মোটরসাইকেলের পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পান। এরপর প্রাইভেট কারটি থামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু গাড়িটি পালানোর চেষ্টা করে। তখনই হাতে থাকা হেলমেট ব্যবহার করেন। প্রাইভেট কারটি না ভেঙে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হলো না কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তখন আমার মাথা গরম ছিল।’

উৎসঃ kalerkantho

মন্তব্য

আপনার ইমেইল গোপন থাকবে - আপনার নাম এবং ইমেইল দিয়ে মন্তব্য করুন, মন্তব্যের জন্য ওয়েবসাইট আবশ্যক নয়

*

Open

Close