Home » বিনোদন » তালাক ইস্যুতে যা করছেন শকিব অপু!

তালাক ইস্যুতে যা করছেন শকিব অপু!

গত বছরের প্রায় পুরোটা জুড়ে ও এ বছরেও শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস জুটিকে নিয়ে সরগরম ছিল ঢালিউড। সংসার টিকবে না ভাঙবে এ নিয়ে তারা আলোচনায় রয়েছেন ঢালিউডের সকল মানুষদের মুখে মুখে। সম্প্রতি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) শাকিব অপুর ডিভোর্সের আবেদনের প্রেক্ষিতে আগামী ১৫ জানুয়ারী প্রথম বারের মত শাকিব-অপুকে নিয়ে আলোচনায় বসবে। নিয়মানুযায়ী সিটি করপোরেশন বিষয়টি সুরাহার উদ্যোগ নিয়েছে। ডিএনসিসির অঞ্চল-৩ এর অফিসে তাদের তালাকের বিষয়টি নিয়ে শুনানি হবে।


অপু বিশ্বাস এখন দেশেই আছেন। শাকিব খানের পাঠানো তালাকের চিঠি পাওয়ার পরও ঢালিউড কিং খান এর সঙ্গে সংসার করার বিষয়ে আশাবাদী অপু বিশ্বাস। বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমের কাছেও বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে নিজের অবস্থান পরিস্কার করেছেন তিনি।

স্বামী-সন্তান নিয়ে অপু চেয়েছেন সংসার করতে। অপু বিশ্বাসের বিশ্বস্থ এক সূত্রমতে জানা যায় অপু বিশ্বাস কখনই তালাক চাননি। তাই শুনানিতে সে অংশ না নেয়ার কোনো কারণ নেই। যদিও প্রতিবেদনটি লেখার সময় এ বিষয়ে অপু বিশ্বাসের কাছে জানতে চেয়ে ফোন করা হলে তার ব্যাবহৃত মোবাইল ফোনটি তার সহকারী রিসিভ করে বলে দিদি একটি ফটোশ্যুট এ ব্যাস্ত আছেন। আবার গেল কয়েকদিন ধরে শোনা যাচ্ছে সম্প্রতি অপু বিশ্বাস নায়ক বাপ্পীর বিপরীতে কানাগলি সিনেমায় কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। যদিও চিত্রনায়ক বাপ্পী বর্তমানে তার নতুন সিনেমা নায়কের শ্যুটিং নিয়ে ব্যাস্ত সময় পাড় করছেন।


কিন্তু শাকিব খান কি আসবেন? অংশ নিবেন কি ডিএনসিসি বৈঠকে? বর্তমানে শ্যুটিংয়ের কাজ সেরে থাইল্যান্ড অবস্থান করছেন শাকিব খান। সেখান থেকে অস্ট্রেলিয়া যেতে পারেন। কারণ সেখানেও শাকিবের একটি সিনেমার শ্যুটিং হওয়ার কথা রয়েছে। তাই শুনানিতে শাকিবের থাকা নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা। বেশ কিছু সূত্র বলছে শাকিব খান আসতে পারেন দেশে। যদিও এ নিয়ে শাকিব খান বা তার নিজস্ব কোন সূত্র এ বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারে নি।

গেল বছরের ২৪ ডিসেম্বর (রবিবার) শাকিব ও অপুর কাছে শুনানিতে হাজির হওয়ার জন্য নোটিস পাঠানো হয়। ডিএনসিসির অঞ্চল-৩ এর দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান,শাকিব খানের তালাকের নোটিসটি ডাকযোগে ডিএনসিসির কাছে পৌঁছানোর পর তারা নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করেছেন। সে অনুযায়ী আগামী ১৫ জানুয়ারি তাদের তিন শুনানীর মাঝে প্রথম শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে।


ডিএনসিসি কর্মকর্তারা আরও বলেন,শুনানির দিনে যথারীতি তাদের বক্তব্য নেওয়া হবে। তারা যদি আবার স্বামী-স্ত্রী হিসেবে থাকতে রাজি হন তাহলে তারা সংসার করবেন। অন্যথায় তাদের আরও দু’বার নোটিস দিয়ে শুনানি করা হবে। এর মধ্যে তারা নিজেরা মিলমিশ করতে চাইলে ধর্মীয় রীতি মেনে তা করতে পারবেন,আর তা না করলে তিনবার শুনানির পর নিয়মানুযায়ী নব্বই দিন পর স্বাভাবিক নিয়মেই তালাক কার্যকর হয়ে যাবে।

মন্তব্য

আপনার ইমেইল গোপন থাকবে - আপনার নাম এবং ইমেইল দিয়ে মন্তব্য করুন, মন্তব্যের জন্য ওয়েবসাইট আবশ্যক নয়

*

Open

Close