ব্রেকিং:
Home » লাইফ স্টাইল » বারবার চুলে রঙ করলে বাড়তে পারে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি

বারবার চুলে রঙ করলে বাড়তে পারে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি

নিজেকে আরও বেশি সুন্দর করে তুলতে আমরা কত কী-ই না ব্যবহার করে থাকি। ত্বক এবং চুলে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রসাধনী ব্যবহার করি। কিন্তু এই সমস্ত প্রসাধনীতে যে সমস্ত উপাদান থাকে, তা যে আমাদের শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকর হতে পারে, তার প্রায় কোনও ধারণাই আমাদের নেই। সম্প্রতি লন্ডনের সার্জেন কেফা মোকবেল জানিয়েছেন যে, বারবার চুলে রঙ করলে বাড়তে পারে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি।

কেফা মোকবেল, লন্ডনের মেরিলিবোনের প্রিন্সেস গ্রেস হাসপাতালে কাজ করেন, তিনি জানাচ্ছেন যে, মহিলারা যাঁরা চুলে রঙ করেন, তাঁদের মধ্যে স্তন ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি ১৪ শতাংশ বেড়ে যায়। তাই তাঁরা পরামর্শ দিচ্ছেন যে, সারা বছরে কোনওমতেই ২ থেকে ৫ বারের বেশি যেন চুলে রঙ না করা হয়। পাশাপাশি তাঁরা এমনও পরামর্শ দিচ্ছেন যে, চুলে রঙ করার জন্য প্রাকৃতিক উপাদান, যেমন, হেনা, বীট কিংবা গোলাপ ফুল ব্যবহার করতে পারেন। তবে, যে সমস্ত মহিলারা কখনওই চুলে রঙ করেন না, তাঁদের যে কখনও স্তন ক্যানসার হবে না, এমন কথাও অবশ্য বলছেন না তাঁরা।

এই মুহুর্তে অন্যরা যা পরছেন…

প্রথম ম্যাচেই মাঠে নেমে নিজেকে চেনালেন বাংলাদেশের এই গতি দানব

২০১৬ সালে সর্ব প্রথম রবি পেসার হান্টের মাধ্যমে লাইম লাইটে উঠে এসে ছিলেন সিলেটের সন্তান এবাদত হোসেন। ১৩৯ কিলোমিটার গতিতে বোলিং করে সকলকে তাক লাগিয়ে দিয়ে ছিলেন ২৩ বছর বয়সী এই তরুণ।

এরপর একই বছরের সেপ্টেম্বরে জাতীয় ক্রিকেট লীগে (এনসিএল) সিলেটের হয়ে খেলার সুযোগ পান। পরবর্তীতে দুর্দান্ত বোলিং কারিশমা দেখিয়ে নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রস্তুতি ক্যাম্পের দলেও জায়গা করে নেন তিনি।

অমিত প্রতিভাসম্পন্ন এই তরুণের জাতীয় দলে খেলাও অনেকেই সময়ের ব্যাপার ধরে নিয়েছিলেন। যদিও শেষ পর্যন্ত আর তা হয়ে ওঠেনি। তবে এবাদত এতে দমে যাননি, বরং নিজের বোলিং অ্যাকশন ক্ষুরধার করার প্রক্রিয়া চালিয়ে গেছেন।

আর এবার তারই প্রমাণ দেখা গেলো চলতি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে (বিপিএল)। এবারের বিপিএলে এবাদত হোসেনকে দলে ভিড়িয়েছে মাশরাফি বিন মর্তুজার দল রংপুর রাইডার্স। তবে দলে নিলেও রংপুরের হয়ে মাঠে নামার সুযোগ পাচ্ছিলেন না এবাদত।

অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বুধবার ঢাকা ডাইনামাইটসের বিপক্ষে ৪১ তম ম্যাচে রাইডার্সদের একাদশে জায়গা পান তিনি। আর নিজের অভিষেক ম্যাচেই বল হাতে দ্যুতি ছড়িয়েছেন এবাদত। সাকিব আল হাসানের দলটির কাছে ৪৩ রানে পরাজিত হলেও দুর্দান্ত বোলিং করে অনেকেরই নজরে এসেছেন এই তরুণ।

এদিন ৪ ওভার বোলিং করে ৩৭ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট শিকার করেছেন এবাদত। আর উইকেট দুটিও ছিলো ঢাকার দুই হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান কাইরন পোলার্ড ও জহুরুল ইসলামের। টি টোয়েন্টি ফরম্যাটে বিচারে যথেষ্টই ভালো পারফর্মেন্স বলতে হবে এটিকে।

সুতরাং বলা যায় সুযোগ পেলে আগামীতেও যে নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করতে সক্ষম হবেন এই তরুণ সেটি সহজেই অনুমেয়। হয়তো পর্যায়ক্রমে একদিন জাতীয় দলেও আগুনে বোলিং করতে দেখা যাবে রবি পেসার হান্টের এই আবিষ্কারকে। সেই দৃশ্য দেখার প্রতীক্ষাতেই রইলো গোটা বাংলাদেশ।

মন্তব্য

আপনার ইমেইল গোপন থাকবে - আপনার নাম এবং ইমেইল দিয়ে মন্তব্য করুন, মন্তব্যের জন্য ওয়েবসাইট আবশ্যক নয়

*

Open

Close