Home » অন্যান্য » বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শাহজাহানের বাড়ি ঘেরাও করে রেখেছেন পুলিশ-আওয়ামী লীগ

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শাহজাহানের বাড়ি ঘেরাও করে রেখেছেন পুলিশ-আওয়ামী লীগ

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহানের নোয়াখালীর মাইজদী এলাকার বাড়ি ঘেরাও করে রেখেছেন পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা।
বুধবার সকালে দলটির পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির প্রস্তুতি নেয়াকালে পুলিশ সেখানে এসে নেতাকর্মীদের লাঠিপেটা করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ নিয়ে বিএনপি ও পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার একপর্যায়ে ওই নেতার বাড়ি ঘেরাও করে অবস্থান নেয় বিপুলসংখ্যক পুলিশ। এ সময় পুলিশের সঙ্গে যোগ দেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরাও।

বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগ, পুলিশ সম্পূর্ণ বিনা উসকানিতে দলটির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যানের গ্রামের বাড়িতে এসে নেতাকর্মীদের অতর্কিত হামলা করে। এ সময় লাঠিপেটা ও বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়ে। একপর্যায়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরাও পুলিশের সঙ্গে যোগ দিয়ে তাদের ধাওয়া করে বাড়িটি ঘেরাও করে অবস্থান নেয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রায় ২ ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশ শতাধিক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। জবাবে বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ব্যাপক ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। সংঘর্ষে সদর থানার ওসি, চরজব্বর ডিগ্রি কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক সাফিয়া সুলতানা, বিএনপিকর্মী ইরফাতসহ ১০ জন আহত হয়েছেন।
ঘটনাস্থল থেকে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ভিপি জসিম ও জেলা যুবদলের সভাপতি মাহবুব আলমগীর আলোসহ গ্রেফতার হয়েছেন ১০ জন।
জানা গেছে, সকালে পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী জেলা বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে বিভিন্ন স্থান থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহানের মাইজদীর রশিদ কলোনির বাড়িতে জড়ো হন। একপর্যায়ে ওই বাড়ি থেকে মিছিল নিয়ে প্রধান সড়কের দিকে আসতে চাইলে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন তারা।
এরপর পুলিশ তাদের লাঠিপেটা ও গুলি ছুড়ে ছত্রভঙ্গ করে দিলে বিএনপি নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়ে। বিএনপির উত্তেজিত কর্মীরা এ সময় বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় মাইজদী-সোনাপুর সড়কের দুদিকে শত শত গাড়ি আটকা পড়ে।
দুপুর ১২টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অতিরিক্ত পুলিশ এসে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহানের বাড়িটি ঘেরাওয়ে অবস্থান নেয়। তাদের সঙ্গে যোগ দেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা।
সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্যে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থল ও বাড়িটির আশে-পাশে অবস্থান নিয়েছে। পুলিশের কাজে বাধা ও হামলার ঘটনায় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
উৎসঃ যুগান্তর

মন্তব্য

আপনার ইমেইল গোপন থাকবে - আপনার নাম এবং ইমেইল দিয়ে মন্তব্য করুন, মন্তব্যের জন্য ওয়েবসাইট আবশ্যক নয়

*

Open

Close