ব্রেকিং:
Home » এক্সক্লুসিভ » বিএনপি কার্যালয়ে হঠাৎ মার্কিন কূটনীতিক

বিএনপি কার্যালয়ে হঠাৎ মার্কিন কূটনীতিক

কারারুদ্ধ সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিষয়ে নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন বিদেশি দূতাবাস ও কূটনীতিকরা। গতকাল এ নিয়ে জানতে মার্কিন দূতাবাসের রাজনীতি বিভাগের প্রধান উইলিয়াম মুয়েলার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে বৈঠক করেন। নয়াপল্টনস্থ দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ওই বৈঠক হয়। সেখানে কূটনীতিক মুয়েলারের সঙ্গে ছিলেন দূতাবাসের রাজনীতি বিভাগে কাজ করা রুম্মাম দস্তগীর। দূতাবাসের আগ্রহের বিষয় ছিল বিএনপি নেত্রীর কারাবাস। সেখানে সম-সাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বিএনপির কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠক শেষে রিজভী গণমাধ্যমকে বলেন, মার্কিন দুজন কূটনীতিক এসেছিলেন। তারা কারারুদ্ধ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন। এদিকে বিএনপি নেত্রীর রায়ের পরদিন ঢাকা সফরকারী বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসনও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে খালেদা জিয়ার রায় ও কারাবাস নিয়ে কথা বলেন। গণভবনের ওই বৈঠকে খালেদা জিয়ার রায়কে ঘিরে লন্ডনে তার অনুসারী-সমর্থকদের সিরিজ বিক্ষোভ নিয়েও আলোচনা হয়। যুক্তরাজ্য বিএনপি রায়ের আগে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ১০ ডাউনিং স্ট্রিট এবং লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ করে। রায় ঘোষণার আগে হাইকমিশনের সামনে বিএনপির বিক্ষোভ থেকে চ্যান্সারি কমপ্লেক্সে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

বৃটিশ পুলিশ ওই হামলা ঠেকায় এবং তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল থেকে একজনকে আটক করে। হাইকমিশনে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশের তরফে বৃটিশ সরকারের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। ওদিকে নির্বাচনের বছরে জেলে থাকা বিরোধী জোটের শীর্ষ নেত্রীর মুক্তির প্রশ্নে তার দলের আইনি লড়াই এবং রাজপথের কর্মসূচির বিষয়টি ভিন দেশিরা সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছেন। বিশেষ করে রায়কে ঘিরে সরকারের কঠোর অবস্থান এবং জনমনে আতঙ্কের বিপরীতে বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি কূটনৈতিক পল্লীতে ইতিবাচক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে কারাবাস দীর্ঘ হলে খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনে রাজপথ উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কাও করছেন তারা। বেগম জিয়ার রায়ের দিন সন্ধ্যায় এয়ারপোর্ট রোডের একটি কূটনৈতিক পার্টির অনির্ধারিত আলোচনায় ঘুরে-ফিরে সেই আশঙ্কার বিষয়টি আসে। পার্টিতে অংশ নেয়া কূটনীতিকদের মধ্যে রাজপথে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাই ছিল প্রবল। তবে অনেকে এর সঙ্গে ভিন্নমত প্রকাশ করেন। তবে সবাই পরিস্থিতির বিষয়ে বিভিন্নভাবে আগাম তথ্য পাওয়ার চেষ্টায় ব্যস্ত ছিলেন।
মানবজমিন

মন্তব্য

আপনার ইমেইল গোপন থাকবে - আপনার নাম এবং ইমেইল দিয়ে মন্তব্য করুন, মন্তব্যের জন্য ওয়েবসাইট আবশ্যক নয়

*

Open

Close