Home » বিনোদন » বিদ্রোহ শেষ, স্বস্তির নিশ্বাস পদ্মাবত শিবিরে

বিদ্রোহ শেষ, স্বস্তির নিশ্বাস পদ্মাবত শিবিরে

পদ্মাবত ছবির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার কর্ণী সেনার
বিদ্রোহ শেষ। অবশেষে নরম হল কর্ণী সেনা। অনেক টালবাহানার পর অবশেষে স্বস্তির নিশ্বাস পদ্মাবত শিবিরে। শেষমেশ পদ্মাবত থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল কর্ণী সেনা। শুক্রবার একথা জানানো হয়েছে। শনিবার এ সংক্রান্ত একটি খবর প্রকাশ করেছে ভারতের কলকাতা২৪ পত্রিকা।

রাজপুত কর্ণী সেনার মুম্বাইয়ের নেতা যোগেন্দ্র সিং কাতার জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট সুখদেব সিং গোগামাদির নির্দেশে ছবির উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। তিনি এও জানিয়েছেন, ছবিতে রাজপুতদের সুখ্যাতি করা হয়েছে। তাদের ত্যাগের কথা দেখানো হয়েছে। যে কোনও রাজপুত ছবিটি দেখলে গর্ব অনুভব করবে।

রানি পদ্মাবতী (পদ্মিনী) প্রতি দিল্লির সুলতান আলাউদ্দিন খলজির আকাঙ্ক্ষা ছবির মূল বিষয়বস্তু। কর্ণী সেনার অভিযোগ ছিল, মেবারের রানি পদ্মাবতীর সঙ্গে আলাউদ্দিন খলজির সিন রাজপুতের অনুভূতিকে আঘাত করে। ইতিহাস বিকৃত করার অভিযোগও তোলে তারা। এই নিয়েই প্রতিবাদ শুরু করে তারা। রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাটের বিভিন্ন জায়গায় সিনেমা হলে ভাঙচুর করা হয়। পদ্মাবত ছবি প্রদর্শন রুখতে গুজরাটের আমেদাবাদ শহরের মেমনগরের মলে ভাঙচুর চালায় কর্ণী সেনা। উগ্র রাজপুত এই সংগঠনের কর্মীদের রুখতে গুলি চালায় পুলিশ। ফলে ছড়ায় আতঙ্ক।

পদ্মাবতী ছবি প্রদর্শন রুখতে ভারতের দিল্লি ও হরিয়ানার সংলগ্ন গুরুগ্রাম (গুড়গাঁও)-তে স্কুলবাসে আগুন ধরিয়ে দেয় কর্ণী সেনা। উদয়পুরেও হয় তাণ্ডব। ভাঙচুর চালায় কর্ণী সেনা কর্মীরা। উদয়পুরের একাধিক দোকানে হামলা চালানো হয়। বিশাল জমায়েত করে বিক্ষোভকারীরা। পাশাপাশি, জয়পুর, বাড়মোড় সহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষিপ্ত হাঙ্গামা হয়।

মেবারের রানিকে নিয়ে মেগা বাজেটের ছবি ‘পদ্মাবতী’ করেছেন সঞ্জয় লীলা বানশালী। ছবি শুটিং থেকেই বিতর্ক ছড়ায়। ক্ষত্রিয় সংগঠনগুলো দাবি করে, এই ছবিতে রানি পদ্মিনীর সঙ্গে আলাউদ্দিন খলজির প্রেমের সম্পর্ক দেখিয়ে রাজপুত জাতিকেই অপমান করা হয়েছে। বিতর্ক এমন আকার নেয় যে ছবির নাম পাল্টে ‘পদ্মাবত’ রাখা হয়।

মন্তব্য

আপনার ইমেইল গোপন থাকবে - আপনার নাম এবং ইমেইল দিয়ে মন্তব্য করুন, মন্তব্যের জন্য ওয়েবসাইট আবশ্যক নয়

*

Open

Close