ব্রেকিং:
Warning: mysql_query(): Unable to save result set in /home/dnn/public_html/wp-includes/wp-db.php on line 1889
Home » এক্সক্লুসিভ » বিশ্বের ১৫০টি দেশে ২ লাখ কম্পিউটার আক্রান্ত, ‘র‍্যানসমওয়্যার’, ‘ওয়ানাক্রাই’ কি?

বিশ্বের ১৫০টি দেশে ২ লাখ কম্পিউটার আক্রান্ত, ‘র‍্যানসমওয়্যার’, ‘ওয়ানাক্রাই’ কি?

পৃথিবীর প্রায় ১৫০টি দেশে প্রায় দু’লক্ষ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটারে ওয়ানাক্রাই নামের যে ভাইরাসটি দিয়ে আক্রমণ চালিয়েছে হ্যাকাররা – এটা আসলে কি জিনিস?

ওয়ানাক্রাই হচ্ছে একটি ম্যালওয়্যার – এক ধরণের ক্ষতিকর সফটওয়্যার যা একটি কম্পিউটারে সংরক্ষিত ডাটা বা তথ্যকে ‘এনক্রিপ্ট’ করে ফেলে বা বলা যেতে পারে ‘তালা মেরে আটকে দেয়।’ এটা অনেকটা এই রকম – যেন একজনের বাড়িতে ঢুকে আরেকজন লোক সব তালা-চাবি ভেঙে ফেলে নতুন তালা-চাবি লাগিয়ে দিল। খবর বিবিসির।

তখন কম্পিউটারের আসল ব্যবহারকারী নিজে তার কম্পিউটারের কোথাও ঢুকতে পারবেন না। হ্যাকাররা সেই প্রবেশাধিকার ফিরিয়ে দেবার জন্য এক ধরণের ‘মুক্তিপণ’ হিসেবে অর্থ দাবি করছে। এ জন্যই একে বলে ‘র‍্যানসমওয়্যার।’

কিন্তু কি ভাবে ছড়ালো এই ওয়ানাক্রাই? বলা হচ্ছে ‘ওয়ার্ম’ বলে পরিচিত এক ধরণের কম্পিউটার ভাইরাসের মাধ্যমে এটা ছড়িয়েছে। অন্য সফটওয়্যারের সাথে এর তফাৎ হলো, এটা নিজে নিজেই একটা নেটওয়ার্কের মধ্যে চলাচল করতে পারে। ওয়ানাক্রাই একটা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ঢুকলে তা নিজে নিজেই অরক্ষিত কম্পিউটার খুঁজে বের করে এবং সেটাকেও সংক্রামিত করে।

মার্কিন যোগাযোগ- ধারণা করা হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার পাওয়া একটি ভাইরাসকে কাজে লাগিয়ে এটি বানানো হয়েছে। কোনভাবে এই ভাইরাসটির তথ্য ফাঁস হয়ে গিয়েছিল। এর পরই কয়েকজন বিশেষজ্ঞ বলেছিলেন, এই তথ্য ফাঁসের ফলে কিছুদিনের মধ্যেই ‘স্বয়ংক্রিয়’ র‍্যানসমওয়্যার ভাইরাস আবিষ্কৃত হবে। এর পর মাস দুয়েক পার হতে না হতেই বিশ্বব্যাপি সাইবার আক্রমণের এ ঘটনা ঘটলো।

এটা কে বানিয়েছে?

ওয়ানাক্রাই কে বানিয়েছে এখনো কেউ জানে না। তবে সাইবার-ক্রিমিনাল এবং তথ্য-চোরদের মধ্যে বিভিন্ন রকম র‍্যানসমওয়্যার বেশ জনপ্রিয় – যা দিয়ে কম্পিউটারের ডাটা আটকে দিয়ে টাকা আদায় করা যায়। এটা বিটকয়েন দিয়ে টাকা লেনদেন করে কারণ এর ফলে কে কাকে টাকা দিচ্ছে, কি ভাবে দিচ্ছে- তা বের করা খুব কঠিন।

এই র‍্যানসমওয়্যারকে কিভাবে আরো ‘উন্নত’ ও কার্যকর করে তোলা যায় তা নিয়ে সাইবার ক্রিমিনালদের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা চলে। এই ‘গবেষণা’র মধ্যেই কেউ একজন এই নতুন ম্যালওয়্যারটি তৈরি করেছে। এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার দিয়ে এগুলো ঠেকানো সম্ভব, কিন্তু কোন সুরক্ষা ব্যবস্থাই শতভাগ নিরাপদ নয়।

 

মন্তব্য

আপনার ইমেইল গোপন থাকবে - আপনার নাম এবং ইমেইল দিয়ে মন্তব্য করুন, মন্তব্যের জন্য ওয়েবসাইট আবশ্যক নয়

*

Open

Close