Home » খেলা » বিসিবির এ কেমন সিদ্ধান্ত, বাংলাদেশ একই সময়ে খেলবে দুটি সিরিজ। দেখেনিন কাদের সাথে খেলবে

বিসিবির এ কেমন সিদ্ধান্ত, বাংলাদেশ একই সময়ে খেলবে দুটি সিরিজ। দেখেনিন কাদের সাথে খেলবে

শ্রীলঙ্কা জানুয়ারিতে বাংলাদেশ সফরে আসবে। ঐ মাসের মাঝামাঝিতে তাদের সঙ্গে টেস্ট খেলার কথাও শোনা যাচ্ছিলো অনেক আগে থেকেই। একইসঙ্গে আরও শোনা যাচ্ছিলো, ডিসেম্বরের শেষের দিকে শুরু হবে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা এবং জিম্বাবুয়ের মধ্যকার ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ।

আজকের আগে সবই ছিল উড়ো সংবাদে। এবার খোদ বিসিবিই নিশয়তা দিলো ত্রিদেশীয় সিরিজ এবং লঙ্কানদের বিপক্ষে সিরিজের। তবে ডিসেম্বরের শেষে নয়, ত্রিদেশীয় সিরিজটি হচ্ছে লঙ্কান্দের সাথে সিরিজ চলাকালীন সময়েই!

অর্থাৎ, জানুয়ারিতে ত্রিদেশীয় সিরিজের আগেই হচ্ছে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি সিরিজ। এরপর মাঠে গড়াবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ। মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) সংবাদ মাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিসিবি’র ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান আকরাম খান।

সুচি সম্পর্কে এখনো কিছু জানাননি তিনি। একইসঙ্গে নিশ্চয়তা দিয়েছেন উইন্ডিজ সফরেরও। মিডিয়ার মুখোমুখি হয়ে সাবেক এই অধিনায়ক সাংবাদিকদের জানিয়েছেন,

“আমরা দুই-এক দিনের মধ্যে ফিক্সার দিয়ে দিব। দুইটা টি-টোয়েন্টি তারপর ট্রাইনেশন তারপর দুইটা টেস্ট। আগামী বছরের মাঝে ওয়েস্ট ইন্ডিজ যাব। এটা সম্ভবত জুনের দিকে। এর আগে আমাদের অনেকগুলো খেলা আছে। আমরা স্টেপ বাই স্টেপ যাব।”

এদিকে দেশের মাটিতে ত্রিদেশীয় সিরিজ হতে না হতেই শ্রীলঙ্কার মাটিতে আরেকটি ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলার কথা চলছে মাশরাফিদের। শ্রীলঙ্কার স্বাধীনতার ৭০ বছর পূর্তি উপলক্ষে মার্চে হওয়ার কথা এই ত্রিদেশীয় সিরিজের। সেখানে লঙ্কানদের প্রতিপক্ষ ভারত ও বাংলাদেশ।

এই মুহুর্তে অন্যরা যা পরছেন…

কুরআনের আয়াতে বক্তব্য শেষ করলেন খালেদা

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজের বক্তব্য শেষ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। মঙ্গলবার বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নং বিশেষ আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনে শেষ দিনের বক্তব্য প্রদানকালে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে মিথ্যা দাবি করে তা প্রত্যাখ্যান করে আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

বক্তব্য শেষে তিনি বলেন, ‘আমি এ মামলায় সম্পূর্ণ নির্দোষ। মামলায় খালাস পাওয়ার যোগ্য। আমি আমার বক্তব্য শেষ করছি সুরা নিসার ১৩৫ নম্বর আয়াতের তরজমার মধ্য দিয়ে। এরপর তিনি আয়াতের অর্থ পড়ে শোনান। যার অর্থ হলো : ‘হে মুমিনগণ! আল্লাহ্কে সাক্ষী রেখে তোমরা ন্যায়ের ওপর দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত থাক। যদি তা তোমাদের নিজেদের অথবা পিতা-মাতা, কিংবা তোমাদের আত্মীয়-স্বজনের ক্ষতির কারণও হয়; (যদি পক্ষগুলোর একটি) বিত্তবান হয় অথবা বিত্তহীন, তবু আল্লাহই তাদের শুভাকাঙ্ক্ষী তোমাদের চাইতে বেশি। অতএব, তোমরা বিচার করতে গিয়ে রিপুর কামনা-বাসনার অনুবর্তী হয়ো না। যদি তোমরা ন্যায়কে বিকৃত কর এবং ন্যায় বিচারকে অস্বীকার কর, অবশ্যই তোমরা যা কর সে সম্বন্ধে আল্লাহ ভালোভাবেই জানেন।

এর আগে বিচারককে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘আমি এই মিথ্যা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করছি এবং আপনার আদালতে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি।’ খালেদা জিয়া বলেন, ‘মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক হারুন অর রশীদ নিরপেক্ষতার বিধান লঙ্ঘন করে কোনো রুপ দালিলিক প্রমাণ ছাড়া ১৫ দিনের মাথায় আমার বিরুদ্ধে একটি হয়রানিমূলক ও মিথ্যা রিপোর্ট দাখিল করেন। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। তিনি নিরপেক্ষ থাকলে এ রুপ অনুমান নির্র্ভর সাক্ষ্য দেয়ার সুযোগ থাকতো না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখার অপপ্রয়াস হিসেবে অনুমান নির্ভর ও কাল্পনিক অভিযোগে এই মামলায় মিথ্যা বর্ণনায় আমাকে জড়ানো হয়েছে। আমাকে, জিয়া পরিবার ও বিএনপিকে হয়রানি করার প্রয়াস হিসাবে এ মামলাটি করা হয়েছে। জিয়া অরফানেজের সঙ্গে আমি কোনোভাবে জড়িত নই।’ মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন খালেদা জিয়া।

বকশীবাজারের আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালত খালেদার জামিন এবং জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় যুক্তি উপস্থাপন উত্তোলনপূর্বক আত্মপক্ষ সমর্থনের আবেদন মঞ্জুর করেন। তবে আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবীরা আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনের বক্তব্য দিতে আবেদন করলে দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বিরোধিতা করেন।

আদালতে তিনি আবেদন করেন, ‘সাত-সাতদিন তিনি (খালেদা জিয়া) বক্তব্য দিয়েছেন, আর কত? তার লিখিত বক্তব্য নেয়া হোক।’ আদালত তার আবেদন মঞ্জুর করে বলেন, ‘আজকেই তাকে (খালেদা জিয়া) শেষ সুযোগ দেয়া হচ্ছে। আজকেই (মঙ্গলবার) তাকে বক্তব্য শেষ করতে হবে। শেষ করতে না পারলে লিখিত আকারে দিতে হবে।’

পরে আদালতে খালেদা জিয়া আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য দেয়া শুরু করেন। মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মন্তব্য

আপনার ইমেইল গোপন থাকবে - আপনার নাম এবং ইমেইল দিয়ে মন্তব্য করুন, মন্তব্যের জন্য ওয়েবসাইট আবশ্যক নয়

*

Open

Close