Home » রাজনীতি » ‘মন্ত্রীরাই স্বীকার করছেন সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তারা জয়ী হবেন না’

‘মন্ত্রীরাই স্বীকার করছেন সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তারা জয়ী হবেন না’

অর্থমন্ত্রীসহ মন্ত্রীরা স্বীকার করে নিয়েছেন তাদের এমপি ও নেতাকর্মীরা দুর্নীতিবাজ এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন যদি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয় তাহলে তারা জয়ী হতে পারবে না।

শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, গতকাল অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত একটি জাতীয় দৈনিককে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন-‘আমাদের অনেক এমপি অত্যাচারী, অসৎ, মানুষের কাছ থেকে নানা কায়দায় টাকা পয়সা আদায় করেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিলে অনেক এমপি-কেই পাস করতে বেগ পেতে হবে।’

অপরদিকে পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেছেন- বাঁধ নির্মাণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় লুটপাট ও দুর্নীতি হয়েছে। তারা স্বীকারই করে নিচ্ছেন সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জয়ের মুখ তারা নাও দেখতে পারেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিএনপি বারবার এই ভোটারবিহীন সরকারের লাগামহীন দুর্নীতি, লুটপাট, রাষ্ট্রীয় কোষাগার তছরুপ, উন্নয়নের নামে জনগণের টাকা আত্মসাৎসহ রাষ্ট্র নিয়ে ছিনিমিনি খেলার প্রতিবাদে সোচ্চার প্রতিবাদ করে এসেছে। ক্ষমতাসীনরা তাদের অবৈধ উপার্জনে এতোই মশগুল ছিল যে, তারা বিরোধী দলের কোনো সমালোচনাকেই আমলে তো নেয়নি বরং বিরোধী সমালোচনা দমন করতে রাষ্ট্রের সকল যন্ত্রকে বেপরোয়াভাবে ব্যবহার করেছে।
জাগোনিউজ২৪

also read,,
আওয়ামী লীগের ১১ দফা গণতন্ত্র ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সহায়ক নয়

নির্বাচন কমিশনে দেয়া আওয়ামী লীগের ১১ দফা প্রস্তাব গণতন্ত্র ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সহায়ক নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এ প্রস্তাবকে জনমত বিরোধী বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
শুক্রবার সকাল ১১ টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

রিজভী বলেন, কিভাবে নির্বাচনকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, কিভাবে নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, কিভাবে ভোটের ফল পাল্টে দেয়া যায় সেই কৌশল আছে ঐসব প্রস্তাবনায় যা সম্পূর্ণরুপে জনমতের বিপরীত। সবাই চায় সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন ও সেনাবাহিনী মোতায়েন। কিন্তু আওয়ামী লীগ চায় সেনাবাহিনী ঠুটো জগন্নাথ হয়ে বসে থাকুক, সেই কারণে তারা সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দিতে চায় না।

তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী শাসনামলে অনেক দলীয় ক্যাডারের লাইসেন্স ও বিনা লাইসেন্সে অস্ত্র দেয়া হয়েছে। এখন ভোট গ্রহণের দিন আওয়ামী লীগের অনুকুলে সন্ত্রাসী কায়দায় ব্যালট বাক্স ভর্তি করতে সেই অস্ত্রগুলোই ব্যবহার হবে। সুতরাং সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা না দিলে ভোট-সন্ত্রাস রোধ করা যাবে না। আমি আবারো পূনরাবৃত্তি করছি যে, স্বয়ং প্রধামন্ত্রীই সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের পথে প্রধান বাধা। জনগণের দাবি-নির্দলীয় নিরপেক্ষ সহায়ক সরকার। এর বিরোধীতা করে ক্ষমতাসীন দল আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে জনগণের কাছে শুভবার্তা দেয়নি।
শীর্ষ নিউজ

মন্তব্য

আপনার ইমেইল গোপন থাকবে - আপনার নাম এবং ইমেইল দিয়ে মন্তব্য করুন, মন্তব্যের জন্য ওয়েবসাইট আবশ্যক নয়

*

Open

Close