Home » বিনোদন » মেয়র পদে মাঠে নেমেছেন সাদেক খানও

মেয়র পদে মাঠে নেমেছেন সাদেক খানও

আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে অন্যান্য প্রার্থীদের সঙ্গে বেশ জোরেশোরে মাঠে নেমেছেন মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান। জানা গেছে, দলীয় অনুগত প্রার্থী হিসেবে তার পক্ষে মনোনয়নের জন্য ঢাকার কয়েকজন সংসদ সদস্যও আওয়ামী লীগের শীষ পর্যায়ে লবিং শুরু করেছেন। মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান তিনবারের নির্বাচিত ওর্য়াড কাউন্সিলর এবং দুইবার প্যানেল মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।১৯৯৪ সাল থেকেই ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত জন প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের মহানগরের এই নেতা।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনিসুল হক মারা যাওয়ার পর ইতিমধ্যে মেয়র পদটি শূণ্য ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। ফলে উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা জোরেশোরে মাঠে নেমেছেন। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে দলীয় প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে অনুগত না অতিথি এই বিষয়টি আলোচনায় স্থান পাচ্ছে। দলের অনেকেই মনে করেন, আগামী বছর যেহেতু জাতীয় নির্বাচন তার আগে উত্তর সিটিকর্পোরেশন নির্বাচনটি রাজনীতিতে নানা দিকে থেকে আলাদা গুরুত্ব বহন করে। তাই এমন অবস্থায় অতিথি প্রার্থী না দিয়ে দলের প্রতি অনুগত আছে এমন প্রার্থীকেই দলীয় মনোনয়ন দেয়া উচিত।

দলীয় অনুগত প্রার্থী দিতে হবে এমন দাবী তুলে ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খানের অনুসারিরা আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে আটঁঘাঁট বেঁধে মাঠে নেমেছেন। এখন দেখার পালা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন কে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ভোটের লড়াইয়ে নামেন।

উৎসঃ purboposhchim

খালেদার দুর্নীতিতে চুপসে গেছেন বিএনপি নেতারা
আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দলের অন্যতম মুখপাত্র হাছান মাহমুদ বলেছেন, খালেদা জিয়ার দুর্নীতি বিদেশে ধরা পড়ায় বিএনপি নেতারা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। দলীয় চেয়ারপারসনের দুর্নীতির কারণে বিএনপি নেতাদের মুখে কথা নেই। তাঁরা চুপসে গেছেন।

আজ মঙ্গলবার সকালে জাতীয় তিন নেতার মাজারে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ৫৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাছান মাহমুদ এ কথা বলেন। জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

হাছান মাহমুদ বলেন, সৌদি আরবে দুর্নীতির তদন্তে বেরিয়ে এসেছে খালেদা জিয়া এবং জিয়া পরিবারের সদস্যদের সৌদি আরবসহ ১২টি দেশে অবৈধ সম্পদ আছে। এখন এই খবরে বিএনপি নেতারা চুপসে গেছেন। ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখেও কোনো কথা নেই। তিনি কী বলবেন বুঝতে পারছেন না। তিনি বলেন, যে সম্পত্তিগুলোর কথা বের হয়ে এসেছে, সেগুলোর ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ওই দেশের সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হোক। সেসব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে বিক্রীত অর্থ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হোক।
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে হাছান মাহমুদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপিকে নির্বাচন কমিশন অনেক সুবিধা দিয়েছে এবং দিচ্ছে। নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপির সাবেক মন্ত্রীরা যেতে পারেন, এমনকি খালেদা জিয়ার যাওয়ার ক্ষেত্রেও কোনো বাধা নেই। অথচ আওয়ামী লীগের কোনো সংসদ সদস্য সেখানে গিয়ে প্রচার চালাতে পারেন না। এটি কি আওয়ামী লীগের প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ না?

হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি যেমন একটি রাজনৈতিক দল, তেমনই আওয়ামী লীগও একটি রাজনৈতিক দল। নির্বাচনে তারা যেমন একটি পক্ষ আওয়ামী লীগও একটি পক্ষ। এ অবস্থায় সংবিধান থেকে এক চুলও ব্যত্যয় ঘটানো যাবে না। সংবিধানে যা আছে, ঠিক সেভাবে নির্বাচন হতে হবে। সংবিধান অনুযায়ী সঠিক সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে।
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী সম্পর্কে হাছান মাহমুদ বলেন, তিনি গণতন্ত্রের মানসপুত্র ছিলেন। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রচণ্ড বিশ্বাস করতেন। তিনি কখনো অন্দরের রাজনীতি করেননি। তিনি প্রথমে শ্রমিকদের নিয়ে রাজনীতি করেছেন। রাজনীতিকে ব্রত হিসেবে নিয়েছিলেন তিনি।

জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম এ আবদুল জলিলের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সামছুল হক, বলরাম পোদ্দার, বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের সভাপতি জিন্নাত আলী খান জিন্নাহ প্রমুখ।

উৎসঃ prothom-alo

মন্তব্য

আপনার ইমেইল গোপন থাকবে - আপনার নাম এবং ইমেইল দিয়ে মন্তব্য করুন, মন্তব্যের জন্য ওয়েবসাইট আবশ্যক নয়

*

Open

Close