Home » খেলা » লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডের ২০১৭ এর সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় সাকিব ও মুশফিক

লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডের ২০১৭ এর সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় সাকিব ও মুশফিক

লর্ড’স ক্রিকেট গ্রাউন্ডের ২০১৭ এর টপ ২০ এর এখন পর্যন্ত ৭ জনের নাম প্রকাশ করা হয়েছে।
লাস্ট কয়েকবারের মতো যথারীতি তালিকায় আছেন সাকিব আল হাসান। আর এবার নতুন যুক্ত হয়েছেন মুশফিকুর রহিম। এখন পর্যন্ত লর্ডসের প্রকাশিত লিস্ট :-

২০. মুশফিকুর রহিম।
১৯. কারুনারত্নে।
১৮. শাই হোপ।
১৭. অ্যানিয়া শ্রাবসোল।
১৬. সাকিব আল হাসান।
১৫. স্টিভ স্মিথ।
১৪. রোহিত শর্মা।

আরও পড়ুন : ইনজুরি ও মুস্তাফিজ

২০১৬ তে সাকিব ছিলেন ২০ নাম্বারে এবার একটু এগিয়ে ১৬ নাম্বার স্থান দখল করেছেন। ভিরাট কোহলি গতবার শীর্ষে ছিলো এবার ও হয়তো ১ নাম্বার স্থান তার দখলেই থাকবে।
মুস্তাফিজুর রহমানের সাথে ইনজুরির সখ্যতা নতুন কিছু নয়। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরু হওয়ার আগে থেকেই ইনজুরির সাথে বন্ধুত্ব তার। ইনজুরির কারনে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে খেলতে পারেননি সাতক্ষীরার ছেলেটি।

বড় মঞ্চে খেলতে না পারলেও খাঁটি প্রতিভা চাপা থাকেনি। বয়স ভিত্তিক ক্রিকেটের গণ্ডি পার করে খুব অল্প সময়েই নিজেকে বিশ্বের অন্যতম প্রতিভাধর বোলার হিসেবে চেনান তিনি। তবে সুসময়েও ঘরের কোণে ঘাপটি মেরে বসে ছিল ইনজুরি ভূত।

কখনো সাইড স্ট্রেইন, কখনো গোড়ালির ইনজুরির সাথে লড়ে গেছেন আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম এক বছর। বড় ধাক্কা আসে ইংল্যান্ডে, কাউন্টি খেলতে গিয়ে কাঁধের ইনজুরিতে পড়ে লম্বা সময়ের জন্য মাঠের বাইরে যেতে হয় মুস্তাফিজকে।

ঝুঁকিপূর্ণ অপারেশনের পর মাঠে ফেরা মুস্তাফিজকে চেনা রূপে ফিরে পেতেও বেশ সময় লেগেছে। পুরনো হাতিয়ারে ধাঁরের অভাব স্পষ্ট ধরা পড়ছিল। তবে অল্প বয়সেই বাঁধার পাহাড় পাড়ি দেয়া মুস্তাফিজ সহজে দমে যাওয়ার পাত্র নয়।

কাঁধের অপারেশন শেষে নিজেকে ভিন্ন রূপে গড়ে তুলতে না তুলতেই আবারো ইনজুরির জোরালো ধাক্কা। গোড়ালি মোচকে দক্ষিণ আফ্রিকায় দলের বাজে সময়ে ওয়ানডে ও টি-টুয়েন্টি থেকে ছিটকে পড়েন তিনি।

ফের সেই নিঃসঙ্গ লড়াই… নিভৃতে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার কঠোর পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার পুনরাবৃত্তি। মাত্র দুই বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের অনেকখানি তো এভাবেই কেটেছে মুস্তাফিজের।

তবে মন শক্ত মুস্তাফিজ এখন আর ভেঙ্গে পড়েননা। লড়ে যান চোয়াল শক্ত করে, আগামীর রক্তিম সূর্য দেখার আশায়। মানবজমিনকে বার বার ফিরে আসার গল্প বলতে বলতে অনেক কিছুই বলে ফেলেছেন কম কথার মানুষ মুস্তাফিজ।

‘এখনতো বয়স অনেক কম। আরো অনেক সময় সামনে পড়ে আছে। একটা খারাপ সময় যাচ্ছে, যেতেই পারে। আমি মনে করি খারাপ সময় জীবনেরই অংশ। আমি এ সব নিয়ে ভাবি না। আমি জানি আজ খারাপ তো কাল ভালো হতেই পারে।

দেখেন খারাপ হয়েছে, বা হচ্ছে, এখন এটি নিয়ে যদি আমি ভাবতে থাকি তাহলে আরো খারাপ হবে। চিন্তা বাদ দিয়ে যত নিজের কাজ করা যায় আমার জন্য ততোই ভালো। শুরুতে বল করার সময় ইনজুরির কথাটা চিন্তায় আসতো। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে ততোই তা ভুলে যাচ্ছি।’

একজন পেসার হিসেবে ইনজুরি সঙ্গী করেই খেলে যেতে হবে। লম্বা ক্যারিয়ার অর্জন করতে হলে ইনজুরির সাথে লড়েই টিকে থাকবে হবে… ক্রিকেটের এমন কঠিন বাস্তবতাকে এখন বেশ স্বাভাবিকভাবেই হজম করে নেন মুস্তাফিজ।

‘এখন মাঠে নামলে যখন রিদমে থাকি তখন একেবারেই মনে হয়না ইনজুরির কথা। আর ইনজুরি কোনো ক্রিকেটারের না হয়। সবাই একদিন ফিট হয়ে ফিরে। তার জন্য যে চেষ্টা প্রয়োজন আমি সেটাই করি।’

মন্তব্য

আপনার ইমেইল গোপন থাকবে - আপনার নাম এবং ইমেইল দিয়ে মন্তব্য করুন, মন্তব্যের জন্য ওয়েবসাইট আবশ্যক নয়

*

Open

Close