ব্রেকিং:
Home » আন্তর্জাতিক » সন্ত্রাসবাদ সমর্থনকারীদের সঙ্গে আমি কথা বলি না: এরদোগান

সন্ত্রাসবাদ সমর্থনকারীদের সঙ্গে আমি কথা বলি না: এরদোগান

তুরস্ককে শেষ পর্যন্ত একটি পূর্ণ সদস্য হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন স্বীকার করে নেবে বলে নিজের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান। তবে, তিনি জোর দিয়ে বলেন, এ জন্য আমরা অন্য কোনো সমাধান গ্রহণ করব না।

ইতালীয় সংবাদমাধ্যম ‘লা স্টাম্পা’কে দেয়া একটি সাক্ষাত্কারে তিনি এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

এরদোগান বলেন, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রবেশের জন্য প্রয়োজনীয় সব শর্তই তুরস্ক পূরণ করেছে।’


তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘ইইউতে তুরস্কের প্রবেশ প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেয়ার জন্য সংস্থাটিই দায়ী। তুরস্কের অগ্রগতির অভাবের কারণ দেখিয়ে তারা এই প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেয়।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের সদস্যপদ লাভের পথে এই সকল কৃত্রিম বাধা সরিয়ে ফেলার জন্য এবং তাদেরকে আরো গঠনমূলক আচরণের জন্য আমি ইইউ’র প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। ইইউ’তে প্রবেশ প্রক্রিয়ায় অভ্যন্তরীণ রাজনীতিকে বিবেচনায় নেয়া উচিত নয়।’

প্রায় অর্ধ শতাব্দী ধরে ইইউ’তে যোগ দেয়ার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে আসছে তুরস্ক। যাইহোক, ২০০৫ সালের অক্টোবরে সংস্থাটিতে দেশটির প্রবেশ প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। ওই সময়ে এরোগান দেশটির প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

তবে ইইউতে যোগ দিতে তুরস্কের মোট ৩৫টি চ্যাপ্টার বন্ধ করা প্রয়োজন। মাত্র ১৬টি চ্যাপ্টার খোলা হয়েছে; যেখানে মাত্র ১টি বন্ধ হয়েছে। নতুন চ্যাপ্টারটি তুরস্করে অভ্যুত্থানের প্রচেষ্টার এক মাস আগে ২০১৬ সালের জুন মাসে।

আফরিনে অভিযান

ব্রাসেলসে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের এমপিদের কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (পিকেকে) সমর্থনের জন্য নিজের হতাশা ব্যক্ত করে এরদোগান বলেন, ‘সন্ত্রাসীদের পক্ষ নিয়ে তাদের এই আচরণ সত্যিই হতাশাজনক। যদিও বেশিরভাগ ইউরোপীয় রাষ্ট্রই পিকেকেকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করেছিল।’


এরদোগান বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করে এমন লোকদের সঙ্গে আমি কথা বলি না। আমি কেবল তাদের সঙ্গে কথা বলি যারা এর বিরুদ্ধে লড়াই করে। আমি সন্ত্রাসীদের সঙ্গে এমনই আচরণ করতে চা্‌ই যেটা এখন আফরিনে করছি।’

তুর্কি সরকার নিজের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোয় নিরাপত্তা ও স্থিতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পার্শ্ববর্তী সিরিয়ায় উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে সিরিয়ার আফরিনে তুরস্ক সামরিক অভিযান চালাচ্ছে। তুরস্ক তাদের এই অভিযানের নাম দিয়েছে অপারেশন ‘অলিভ ব্রাঞ্চ’। গত দুই সপ্তাহের অভিযানে সেখানে প্রায় ৯০০ জন নিহত হয়েছে।

সূত্র: ডয়চে ভেলে

মন্তব্য

আপনার ইমেইল গোপন থাকবে - আপনার নাম এবং ইমেইল দিয়ে মন্তব্য করুন, মন্তব্যের জন্য ওয়েবসাইট আবশ্যক নয়

*

Open

Close