কী কথা হলো খালেদা-ফখরুলের?

0

গতকাল রোববার নাইকো দুর্নীতি মামলার শুনানীতে বেগম খালেদা জিয়া উপস্থিত ছিলেন। তিনি আদালতে বলেছেন, আগের দিনও তিনি আসতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাকে আনা হয়নি। এসময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

যদিও তিনি এ মামলার আসামী নন। খালেদা জিয়ার বাম পাশের একটি চেয়ারে বসেন মির্জা ফখরুল এবং তার সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন। খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার প্রায় ৩০-৩৫ মিনিট ধরে কথা বলেন বলে আদালতে ‍উপস্থিতরা জানিয়েছেন।

ধারণা করা হচ্ছে, বিএনপির সাংগঠনিক পুনর্বিন্যাস, বিএনপিকে ঢেলে সাজানো এবং খালেদা জিয়ার মুক্তি সংক্রান্ত বিষয় নিয়েই খালেদা ও ফখরুলের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়,

বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার জন্য বিএনপি যে কোন সূত্রে রাজি বলে সরকারের সঙ্গে দেন-দরবার করছে। বিএনপির প্রভাবশালী নেতা আবদুল আউয়াল মিন্টু এ নিয়ে সরকারের একাধিক ঊর্ধ্বতন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেছেন বলে জানা গেছে।

যদিও সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোন ইতিবাচক সাড়া দেয়া হয়নি।বিএনপির একাধিক সূত্র বলছে, খালেদা জিয়া যদি শেষ পর্যন্ত রাজনীতি ছেড়ে দিয়ে অবসরে যাওয়া সিদ্ধান্ত নেন, বাংলাদেশে থেকে শুধুমাত্র চিকিৎসা ও পারিবারিক কাজকর্মে ব্যস্ত থাকেন,

সেই শর্তে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির ব্যাপারে সরকার চিন্তা ভাবনা করলেও করতে পারে। অন্য একটি সূত্র বলছে, খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার জন্য তারেক জিয়াকে দেশে ফেরার শর্ত আরোপ করছে সরকার। যে শর্তেই হোক, সে বিষয়ে খালেদা জিয়ার মতামত প্রয়োজন।

এসব বিষয়ে খালেদা জিয়ার সঙ্গে কথা বলার জন্যই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মির্জা ফখরুলকে তার সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দিয়েছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।তবে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বারবার বলা হচ্ছে যে,

খালেদা জিয়ার মুক্তি সম্পূর্ণ আইনী প্রক্রিয়ার বিষয়। এটা রাজনৈতিক কোন বিষয় নয়। কিন্তু বিএনপির একাধিক নেতা বলেছেন, খালেদা জিয়া শারীরিকভাবে খুবই অসুস্থ। সরকার চাইলে প্যারোল বা জামিন, যে কোনো ভাবে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে পারে।

খালেদা জিয়ার সঙ্গে কী কথা হয়েছে এ ব্যাপারে মির্জা ফখরুল মুখ খোলেননি। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন যে, ‘এসব বিষয় থাক।’ তবে তিনি তার দলের একাধিক নেতাকে জানিয়েছেন, বেগম খালেদা জিয়া এখন যে কোন মূল্যে মুক্তি চান।বাংলা ইনসাইডার

Leave A Reply

Your email address will not be published.