এসএসসি বিশেষ প্রস্তুতি :বিজ্ঞান

0

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন

প্রথম অধ্যায় : উন্নতর জীবনধারা

১। খাদ্যের সহায়ক উপাদান কয়টি?

উত্তর : খাদ্যের সহায়ক উপাদান তিনটি।

২। BMI (ভরসূচি) কী?

উত্তর : দেহের উচ্চতার সঙ্গে ওজনের সামঞ্জস্যতা রক্ষা করার সূচকই হলো বিএমআই।

৩। খাদ্য ক্যালরি কাকে বলে?

উত্তর : খাদ্যের পুষ্টি উপাদান থেকে নির্গত তাপশক্তি পরিমাপের একককে খাদ্য ক্যালরি বলে।

৪। চর্বি কাকে বলে?

উত্তর : সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডবিশিষ্ট কঠিন স্নেহ পদার্থকে চর্বি বলে।

৫। ভিটামিন কাকে বলে?

উত্তর : খাদ্যে পরিমাণমতো শর্করা ও আমিষ থাকলেও জীবের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও পুষ্টির জন্য যে খাদ্যোপাদান প্রয়োজন তাকে ভিটামিন বলে।

৬। আমলকীতে কোন ভিটামিন পাওয়া যায়?

উত্তর : আমলকীতে ভিটামিন ‘সি’ পাওয়া যায়।

৭। সুষম খাদ্য কাকে বলে?

উত্তর : যে খাদ্যে খাদ্যের ছয়টি উপাদানই গুণাগুণ অনুসারে উপযুক্ত পরিমাণে থাকে এবং যে খাদ্যোপাদান গ্রহণ করলে দেহের স্বাভাবিক কাজকর্মের জন্য উপযুক্ত পরিমাণ ক্যালরি পাওয়া যায়, তাকে সুষম খাদ্য বলে।

৮। সুষম খাদ্য পিরামিড কী?

উত্তর : শর্করাকে নিচু স্তরে রেখে পর্যায়ক্রমে পরিমাণগত দিক বিবেচনা করে শাকসবজি, ফলমূল, আমিষ, স্নেহ ও চর্বি জাতীয় খাদ্যকে সাজানোর মাধ্যমে তৈরি কাল্পনিক পিরামিডকে সুষম খাদ্য পিরামিড বলে।

৯। নিকোটিন কী?

উত্তর : নিকোটিন হলো তামাক থেকে নিঃসৃত এক ধরনের বিষাক্ত পদার্থ, যা নার্ভকে সাময়িকভাবে উত্তেজিত করে এবং নানাভাবে শরীরের ক্ষতিসাধন করে।

১০। HIV-এর পূর্ণ রূপ কী?

উত্তর : HIV-এর পূর্ণ রূপ হলো Human Immuno deficiency Virus

দ্বিতীয় অধ্যায়

জীবনের জন্য পানি

১১। গলনাঙ্ক কাকে বলে?

উত্তর : যে তাপমাত্রায় কোনো কঠিন পদার্থ তরলে পরিণত হয় তাকে ঐ পদার্থের গলণাঙ্ক বলে।

১২। স্ফুটনাঙ্ক কী?

উত্তর : নির্দিষ্ট বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় পানি বাষ্পে পরিণত হয় তা-ই স্ফুটনাঙ্ক বলে।

১৩। সর্বজনীন দ্রাবক কাকে বলে?

উত্তর : যেসব দ্রাবক বেশির ভাগ অজৈব যৌগ ও অনেক জৈব যৌগকে দ্রবীভূত করতে পারে তাদের সর্বজনীন দ্রাবক বলে।

১৪। নোনা পানি কাকে বলে? (Marine water)

উত্তর : সমুদ্রের পানিতে প্রচুর লবণ থাকে বলে সমুদ্রের পানিকে নোনা পানি বলে।

১৫। পানির পুনঃ আবর্তন কাকে বলে?

উত্তর : প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম উপায়ে পানি পুনরায় ব্যবহার উপযোগী হওয়ার প্রক্রিয়াকে পানির পুনঃ আবর্তন বলে।

১৬। পরিস্রাবণ কী?

উত্তর : তরল বা কঠিন পদার্থের মিশ্রণ থেকে কঠিন পদার্থকে আলাদা করার প্রক্রিয়াকে পরিস্রাবণ বলে।

১৭। মরা নদী কাকে বলে?

উত্তর : যেসব নদীর পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের স্বল্পতার কারণে বসবাসকারী মাছসহ সব প্রাণী মারা যায় এবং এ অবস্থা দীর্ঘদিন চলতে থাকে সেসব নদীকে মরা নদী বলে।

তৃতীয় অধ্যায়

হৃদযন্ত্রের যত কথা

১৮। হাইপারটেনশন কী?

উত্তর : রক্তচাপ যদি স্বাভাবিকের চাইতে বেশি থাকে তাহলে তাকে হাইপারটেনশন বলে।

১৯। হিমোগ্লোবিন কী?

উত্তর : রক্তের লোহিত কণিকায় বিদ্যমান লৌহঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থই হলো হিমোগ্লোবিন।

২০। সিরাম কী?

উত্তর : সিরাম হলো রক্ত জমাট বাঁধার পর রক্তের জমাট অংশ থেকে নিঃসৃত হালকা হলুদ বর্ণের এক ধরনের স্বচ্ছ রস।

২১। রক্ত কাকে বলে?

উত্তর : প্রাণীদেহে এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত ও ক্ষারধর্মী তরল যোজক কলাকে রক্ত বলে।

২২। রক্তকণিকা কাকে বলে?

উত্তর : রক্তরসের মধ্যে ছড়ানো বিভিন্ন রকমের কোষকে রক্তকণিকা বলে।

২৩। প্লাজমা কী?

উত্তর : প্লাজমা হলো প্রায় ৯০% পানি ও ১০% বিভিন্ন রকমের জৈব ও অজৈব পদার্থসমৃদ্ধ রক্তের তরল অংশ।

২৪। ধমনি কাকে বলে?

উত্তর : যে রক্তনালির মাধ্যমে অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিণ্ড থেকে সারা দেহের বিভিন্ন অংশে বাহিত হয় তাকে ধমনি বলে।

২৫। শিরা কাকে বলে?

উত্তর : যেসব রক্তনালির মাধ্যেমে সাধারণত কার্বন ডাই-অক্সাইডসমৃদ্ধ রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশ থেকে হৃৎপিণ্ডে বহন করে নিয়ে আসে তাদের শিরা বলে।

২৬। হার্ট অ্যাটাক কাকে বলে?

উত্তর : হৃৎপিণ্ডের করোনারি ধমনি কোনো কারণে বন্ধ হয়ে গেলে হৃদপেশির রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়ে যে রোগ সৃষ্টি হয় তাকে হার্ট অ্যাটাক বলে।

চতুর্থ অধ্যায় : নবজীবনের সূচনা

২৭। বয়ঃসন্ধিকাল কাকে বলে?

উত্তর : শৈশব থেকে কৈশোরে পদার্পণ কালে শারীরিক ও মানসিক নানা রকম পরিবর্তন ঘটে। এ সময়টা হচ্ছে বয়ঃসন্ধিকাল।

২৮। বয়ঃসন্ধিকালের সময় কত বছর?

উত্তর : বয়ঃসন্ধিকালের সময় ১১-১৯ বছর।

২৯। টেস্টটিউব বেবি কাকে বলে?

উত্তর : কৃত্রিম উপায়ে দেহের বাইরে শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলন ঘটায়ে প্রাথমিক ভ্রূণ সৃষ্টি করে এটা স্ত্রীলোকের জরায়ুতে প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে শিশুর জন্ম হলে তাকে টেস্টটিউব বেবি বলে।

৩০। জৈব বিবর্তন কী?

উত্তর : সময়ের সঙ্গে কোনো জীবের পরিবর্তনের ফলে যখন নতুন কোনো প্রজাতি সৃষ্টি হয়, তখন তাকে জৈব বিবর্তন বলে।

৩১। একটি জীবন্ত জীবাশ্মের নাম লেখো।

উত্তর : একটি জীবন্ত জীবাশ্মের নাম হলো লিমুলাস।

পঞ্চম অধ্যায়

দেখতে হলে আলো চাই

৩২। দর্পণ কী?

উত্তর : যে মসৃণ তলে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে তাই দর্পণ।

৩৩। আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে?

উত্তর : আলো যখন এক মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে তির্যকভাবে আপতিত হয়, তখন মাধ্যম দুটির বিভেদতলে এর দিক পরিবর্তন করার ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে।

৩৪। আলোর প্রতিসরণের দ্বিতীয় সূত্রটি লেখো।

উত্তর : সূত্রটি হলো—এক জোড়া নির্দিষ্ট মাধ্যম এবং নির্দিষ্ট রঙের আলোর জন্য আপতন কোণের সাইন ও প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাত ধ্রুব থাকে।

৩৫। লেন্স কাকে বলে?

উত্তর : লেন্স হলো দুটি গোলীয় পৃষ্ঠ দ্বারা সীমাবদ্ধ স্বচ্ছ প্রতিসারক মাধ্যম।

৩৬। ফোকাস দূরত্ব কাকে বলে?

উত্তর : লেন্সের প্রধান অক্ষ থেকে প্রধান ফোকাস পর্যন্ত দূরত্বকে ফোকাস দূরত্ব বলে।

৩৭। লেন্সের ক্ষমতা কী?

উত্তর : এক গুচ্ছ সমান্তরাল আলোক রশ্মিকে কোনো লেন্সের অভিসারী (উত্তল লেন্স) গুচ্ছ বা অপসারী (অবতল লেন্স) গুচ্ছে পরিণত করার প্রবণতাকে লেন্সের ক্ষমতা বলে।

৩৮। স্পষ্ট দৃষ্টির নিকট বিন্দু কাকে বলে?

উত্তর : চোখের সাপেক্ষে সবচেয়ে নিকটের যে বিন্দু পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুকে বিনা শ্রান্তিতে স্পষ্ট দেখা যায়, তাকে চোখের স্পষ্ট দৃষ্টির নিকট বিন্দু বলে।

৩৯। চালশে কী?

উত্তর : চালশে হলো বার্ধক্যজনিত এক প্রকার দৃষ্টিত্রুটি, যাতে মানুষ দূরের বা কাছের কোনো কিছু ঠিকভাবে দেখতে পারে না।

ষষ্ঠ অধ্যায় : পলিমার

৪০। পলিমার কাকে বলে?

উত্তর : একই ধরনের অনেক ছোট অণুু পরপর যুক্ত হয়ে যে বৃহৎ অণুু সৃষ্টি হয় তাকে পলিমার বলে।

৪১। মনোমার কী?

উত্তর : যেসব ছোট অণুু থেকে পলিমার তৈরি হয় সেগুলোই হলো মনোমার।

৪২। পলিথিন কাকে বলে?

উত্তর : ‘ইথিলিন’ নামক মনোমার দ্বারা তৈরি পলিমারকে পলিথিন বলে।

৪৩। পলিমারকরণ প্রক্রিয়া কী?

উত্তর : যে প্রক্রিয়ায় অনেকগুলো মনোমার সংযুক্ত করে পলিমার তৈরি করা হয় তাই পলিমারকরণ প্রক্রিয়া।

৪৪। তন্তু কী?

উত্তর : তন্তু হলো আঁশজাতীয় পদার্থ, যা বস্ত্রশিল্পে বুনন ও বয়নের কাজে ব্যবহৃত হয়।

৪৫। পুল্ড উল কী?

উত্তর : মৃত বা জবাই করা মেষ থেকে যে পশম তৈরি করা হয় তাই পুল্ড উল।

৪৬। কার্ডিং ও কম্বিং কাকে বলে?

উত্তর : তুলা, লিনেন, পশম তন্তু থেকে সুতা কাটার দ্বিতীয় ধাপকেই মূলত কার্ডিং ও কম্বিং বলে।

৪৭। স্লাইভার কাকে বলে?

উত্তর : কার্ডিং ও কম্বিং দ্বারা প্রাপ্ত পাতলা আস্তরের আকৃতি ধারণ করা তন্তুকে স্লাইভার বলে।

৪৮। প্লাস্টিক শব্দের অর্থ কী?

উত্তর : প্লাস্টিক শব্দের অর্থ সহজে ছাঁচযোগ্য।

সপ্তম অধ্যায়

অম্ল, ক্ষারক ও লবণের ব্যবহার

৪৯। দুর্বল এসিড কাকে বলে?

উত্তর : যারা পানিতে সম্পূর্ণরূপে বিয়োজিত না হয়ে আংশিকভাবে বিয়োজিত হয় তাকে দুর্বল এসিড বলে।

৫০। বোরহানিতে কোন ধরনের এসিড থাকে?

উত্তর : বোরহানিতে ল্যাকটিক এসিড থাকে।

৫১। ভিনেগারের সংকেত কী?

উত্তর : ভিনেগারের সংকেত CH3COOH.

৫২। হিস্টামিন কী?

উত্তর : হিস্টামিন হলো এক ধরনের ক্ষারকীয় পদার্থ, যা বোলতা ও বিচ্ছুর হুলে থাকে।

৫৩। অ্যাসিডিটি কাকে বলে?

উত্তর : পাকস্থলীতে খাদ্য হজম করার জন্য আমাদের হাইড্রোক্লোরিক এসিডের প্রয়োজন হয়। যদি পাকস্থলীতে এই এসিডের মাত্রা বেড়ে যায় তখন ওই অবস্থাকে অ্যাসিডিটি বলে।

৫৪। NaHCO3 কী জাতীয় পদার্থ?

উত্তর : NaHCO3 ক্ষার জাতীয় পদার্থ।

৫৫। PH কাকে বলে?

উত্তর : কোনো জলীয় দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়নের ঘনমাত্রার নেগেটিভ লগারিদমকে PH বলে।

৫৬। ক্যালামিন কী?

উত্তর : ক্যালামিন হলো পিঁপড়া বা মৌমাছির কামড়ের ফলে সৃষ্ট জ্বালাপোড়া নিবারণকারী লোশন। এর মূল উপাদান জিংক কার্বনেট।

৫৭। চুনা পাথরের সংকেত লেখো।

উত্তর : চুনা পাথরের সংকেত হলো CaCO3

৫৮। টেস্টিং সল্ট কাকে বলে?

উত্তর : টেস্টিং সল্ট হলো সোডিয়াম গ্লুমেটের লবণ।

অষ্টম অধ্যায় : আমাদের সম্পদ

৫৮। মাটি কাকে বলে?

উত্তর : ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগে অবস্থিত নানা রকম জৈব ও অজৈব রাসায়নিক পদার্থের মিশ্রণকে মাটি বলে।

৫৯। হিউমাস কাকে বলে?

উত্তর : হিউমাস হলো মাটিতে বিদ্যমান জৈব পদার্থ, যা অ্যামিনো এসিড, প্রটিন, চিনি, অ্যালকোহল, চর্বি, তেল, লিগনিন, ট্যানিন ও অন্যান্য অ্যারোমেটিক যৌগের সমন্বয়ে গঠিত।

৬০। সাবসয়েল কাকে বলে?

উত্তর : মাটির দ্বিতীয় স্তরটিকে সাবসয়েল বলে, যা খনিজপদার্থে ভরা এবং সামান্য হিউমাসসমৃদ্ধ।

৬১। বায়বায়ন কাকে বলে?

উত্তর : যে প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডলের গ্যাস মাটিতে পৌঁছে এবং মাটিতে থাকা গ্যাস বায়ুমণ্ডলে অবমুক্ত হয় সে প্রক্রিয়াকে মাটির বায়বায়ন বলে।

৬২। টপসয়েল কী?

উত্তর : মাটির সবচেয়ে ওপরের স্তরটিই হলো টপসয়েল।

৬৩। মাইকা কী?

উত্তর : মাইকা হলো এক ধরনের খনিজপদার্থ, যা বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

৬৪। ট্যালক কী?

উত্তর : ট্যালক হচ্ছে কঠিনতার ভিত্তিতে পৃথিবীর সবচেয়ে নরম খনিজ যা ট্যালকম পাউডার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

৬৫। কয়লা কী?

উত্তর : কয়লা হলো কালো বা বাদামি কালো রঙের এক ধরনের পাললিক শিলা।

নবম অধ্যায়

দুর্যোগের সঙ্গে বসবাস

৬৬। কার্বন দূষণ কাকে বলে?

উত্তর : কার্বন দূষণ বলতে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াকে বোঝায়।

৬৭। সাইক্লোন কাকে বলে?

উত্তর : নিম্নচাপজনিত কারণে যখন প্রচণ্ড গতিবেগে ঘূর্ণনের আকারে বাতাস বয় তখন তাকে সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় বলে।

৬৮। ভূমিকম্প কাকে বলে?

উত্তর : ভূ-অভ্যন্তরে হঠাৎ সৃষ্ট কোনো কম্পন ভূত্বকে আকস্মিক যে আন্দোলন সৃষ্টি করে তা-ই ভূমিকম্প।

৬৯। বজ্র ঝড় কী?

উত্তর : বজ্র ঝড় বা টর্নেডো হচ্ছে একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যা হঠাৎ করে অল্প সময়ের মধ্যে প্রচণ্ড ধ্বংসযজ্ঞ সাধন করে।

৭০। খরা কাকে বলে?

উত্তর : যখন মাটিতে পানির পরিমাণ কমতে কমতে মাটি পানিশূন্য হয়ে যায় এবং এর ফলে এতে গাছপালা ও শস্য জন্মাতে পারে না, তখন সেই অবস্থাই হলো খরা।

৭১। টেকটনিক প্লেট কী?

উত্তর : আমাদের ভূগর্ভ কতগুলো ভাগে বিভক্ত, যাদের বলা হয় টেকটনিক প্লেট।

৭২। Tsunami এর অর্থ কী?

উত্তর : Tsunami শব্দের অর্থ বন্দরের ঢেউ।

৭৩। সুনামি কী?

উত্তর : সমুদ্র তলদেশের প্রচণ্ড ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সমুদ্রের লাখ লাখ টন পানির বিশাল ঢেউ তীরভূমির কাছে এসে আরো দীর্ঘ ও শক্তিশালী হয়ে ভয়ংকর জলোচ্ছ্বাসের রূপ নেয় তাই হলো সুনামি।

দশম অধ্যায় : এসো বলকে জানি

৭৪। বল কাকে বলে?

উত্তর : যা স্থির বস্তুর ওপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করতে চায় অথবা যা গতিশীল বস্তুর ওপর ক্রিয়া করে তার গতির পরিবর্তন করে বা করতে চায়, তাকে বল বলে।

৭৫। নিউটনের গতির প্রথম সূত্রটি লেখো।

উত্তর : নিউটনের গতির প্রথম সূত্রটি হলো—

বাহ্যিক কোনো বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু স্থিরই থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম দ্রুতিতে সরলপথে চলতে থাকবে।

৭৬। জড়তা কী?

উত্তর : বস্তু যে অবস্থায় আছে চিরকাল সে অবস্থায় থাকতে চাওয়ার যে প্রবণতা বা সেই অবস্থা বজায় রাখতে চাওয়ার যে ধর্ম তাই জড়তা।

৭৭। নিউটন কী?

উত্তর : নিউটন হলো বল পরিমাপের একক।

৭৮। ১০ নিউটন বল কাকে বলে?

উত্তর : যে পরিমাণ বল ১০ কিলোগ্রাম ভরের কোনো বস্তুর ওপর প্রযুক্ত হয়ে এক মিটার/সেকেন্ড২ ত্বরণ সৃষ্টি করে তাকে ১০ নিউটন বল বলে।

৭৯। নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্রটি লেখো।

উত্তর : নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্রটি হলো— ‘প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে।’

৮০। লুব্রিকেন্ট কাকে বলে?

উত্তর : লুব্রিকেন্ট হলো তেল বা গ্রিজের মতো পদার্থ, যা ঘর্ষণ কমানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।

৮১। স্পর্শ বল কী?

উত্তর : যে বল শুধু দুটি বস্তুর ভৌত সংস্পর্শে এসে পরস্পরের ওপর ক্রিয়া করে তাকেই স্পর্শ বল বলে।

একাদশ অধ্যায় : জীব প্রযুক্তি

৮২। সেন্ট্রোমিয়ার কাকে বলে?

উত্তর : মাইটোসিস কোষ বিভাজনের মেটাফেজ দশায় প্রত্যেকটি ক্রমোজমে যে গোলাকৃতি ও সংকুচিত স্থান দেখা যায় তাই সেন্ট্রোমিয়ার।

৮৩। ক্রমোজম কী?

উত্তর : নিউক্লিয়াসের ভেতর অবস্থিত নিউক্লিউপ্রোটিন দ্বারা গঠিত যেসব তন্তুর মাধ্যমে জীবের যাবতীয় বৈশিষ্ট্য বংশপরম্পরায় সঞ্চারিত হয়, তাকে ক্রমোজম বলে।

৮৪। ক্লোন কাকে বলে?

উত্তর : যেসব জীবের উদ্ভব অযৌন অঙ্গজ প্রজননের দ্বারা ঘটে তাদের ক্লোন বলে।

৮৫। বর্ণান্ধতা কী?

উত্তর : বর্ণান্ধতা হলো সেক্স লিংকড জিনের কারণে সৃষ্ট এক ধরনের সমস্যা, যার ফলে মানুষ বিভিন্ন বর্ণের পার্থক্য বুঝতে পারে না।

৮৬। জিন কী?

উত্তর : বংশগতির ধারক ও বংশগত বৈশিষ্ট্যের নির্ধারকের এককই হলো জিন।

৮৭। অটোজম কী?

উত্তর : উচ্চ শ্রেণির প্রাণি বা উদ্ভিদে সেক্স ক্রমোজম বাদে থাকা বাকি ক্রমোজমগুলোই অটোজম।

৮৮। আরএনএ কী?

উত্তর : আরএনএ বা রাইবো নিউক্লিয়িক এসিড হলো একসূত্রবিশিষ্ট এক প্রকার বংশগতিক বস্তু।

৮৯। হানটিংটনস রোগের কারণ কী?

উত্তর : হানটিংটনস রোগের কারণ হলো পয়েন্ট মিউটেশন।

৯০। জিন প্রকৌশল কী?

উত্তর : একটি জীব থেকে একটি নির্দিষ্ট জিন বহনকারী ডিএনএ খণ্ড পৃথক করে ভিন্ন একটি জীবে স্থানান্তরের কৌশলই হলো জিন প্রকৌশল।

৯১। ক্লোনিং কী?

উত্তর : একই জিনের অসংখ্য নকল তৈরি করাকে জিন ক্লোনিং বলে।

দ্বাদশ অধ্যায়

প্রাত্যহিক জীবনে তড়িৎ

৯২। ব্যাটারি কী?

উত্তর : ব্যাটারি হলো একাধিক তড়িৎ কোষের সমন্বয়ে গঠিত এক ধরনের তড়িৎ কোষ।

৯৩। তড়িৎ প্রলেপন কাকে বলে?

উত্তর : তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় কোনো ধাতুর ওপর সুবিধামতো অন্য কোনো ধাতুর প্রলেপ দেওয়াকে তড়িৎ প্রলেপন বলে।

৯৪। তড়িৎ বিশ্লেষণ কাকে বলে?

উত্তর : কোনো দ্রবণের মধ্যে তড়িৎ প্রবাহিত করে এর অণুগুলোকে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক অংশে বিভক্ত করার পদ্ধতিকে তড়িৎ বিশ্লেষণ বলে।

৯৫। তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ কী?

উত্তর : তড়িৎ প্রবাহের দ্বারা দ্রবণের যে দ্রব্যটিকে দুই ভাগে বিভক্ত বা বিশ্লেষণ করা হয় তাই তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.