ব্রেকিং:
Warning: mysql_query(): Unable to save result set in /home/dnn/public_html/wp-includes/wp-db.php on line 1889
Home » ইসলাম (page 3)

ইসলাম

কুরআনে অবিশ্বাসীদের দৃষ্টান্ত উপস্থাপন

অবিশ্বাসীদের অন্ধ অনুসরণের কারণে নিজেদের বিবেক বুদ্ধিকে অকেজো করে রেখেছে, তাদের দৃষ্টান্ত চতুষ্পদ জন্তুর ন্যয়। এ দৃষ্টান্ত উপস্থাপনের জন্য আল্লাহ তাআলা কুরআনে কারিমে সুস্পষ্টভাবে তাদের বর্ণনা উল্লেখ করে বলেন- Quran ‘আর আল্লাহ প্রদর্শিত পথে চলতে যারা অস্বীকার করেছে তাদের অবস্থা (দৃষ্টান্ত) ঠিক তেমনি যেমন রাখাল তার পশুদের ডাকতে থাকে কিন্তু হাঁক ডাকের আওয়াজ ছাড়া আর কিছুই তাদের কানে পৌছে না। ...

বাকীটুকু পড়ুন »

হালাল খাদ্য গ্রহণে শুকরিয়া আদায়ের নির্দেশ

আল্লাহ তাআলা পৃথিবীতে অসংখ্য হালাল ও পবিত্র দ্রব্য মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করেছেন। সকল হালাল এবং পবিত্র দ্রব্য ও পাণীয়কে সন্তুষ্ট চিত্তে খাওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। হালালকে হারাম মনে করতে নিষেধ করেছেন আবার হারামকে হালাল মনে করতেও নিষেধ করেছেন। আর এখানে হালাল এবং পবিত্র খাবার খেয়ে আল্লাহ তাআলার কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করার তাকিদ দিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা কুরআনে হালাল খাবার খাওয়ার এবং তাঁর ...

বাকীটুকু পড়ুন »

জাপানের প্রথম ইসলামিক স্থাপনা ঐতিহাসিক ‘কোবে মসজিদ’

কারিগরি শিল্পে উন্নত প্রযক্তির দেশ জাপান। বৌদ্ধ ধর্মের সংখ্যাধিক্যের দেশ হলেও সেখানে রয়েছে প্রায় লক্ষাধিক মুসলমান। এ মুসলমানদের মধ্যে ১০ শতাংশ মানুষ রয়েছৈ জাপানি বংশোদ্ভূত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ধর্মীয় শিক্ষা নিষিদ্ধ করা হলেও সেখানে ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য নতুন নয়। ১৮৮৬ সালের দিকে মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে জাপানের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। জাপানে ইসলামের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও মসজিদ স্থাপনা সম্পর্কে ...

বাকীটুকু পড়ুন »

আজান ও ইক্বামাতের জবাবের ফজিলত

আজানের মাধ্যমে মানুষকে নামাজের জন্য আহবান করা হয়। মানুষ যখন মসজিদে এসে একত্রিত হয়, তখন নির্ধারিত সময়ে জামাআতে নামাজ আদায়ের জন্য মুয়াজ্জিন ইক্বামত দেন। আজান এবং ইক্বামাত শুনলেই এর জবাব দিতে হয়। এ জবাবে রয়েছে অনেক ফজিলত। জাগো নিউজে তা তুলে ধরা হলো- আজান ও ইক্বামাতের জবাবে ফজিলত হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া ...

বাকীটুকু পড়ুন »

আজান ও ইক্বামাতে উত্তর দেয়ার নিয়ম

আজান শব্দের অর্থ হচ্ছে ডাকা, আহবান করা। ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় জামাআতের সহিত নামাজ আদায় করার লক্ষ্যে মানুষকে মসজিদে একত্রিত করার জন্য আরবি নির্দিষ্ট শব্দ ও বাক্যের মাধ্যমে উচ্চকণ্ঠে ডাক দেয়া বা ঘোষণা করাকেই আজান বলা হয়। আর ইক্বামাত শব্দের অর্থ হচ্ছে দাঁড় করানো, প্রতিষ্ঠা করা। অর্থাৎ জামাআতে নামাজ পড়ার উদ্দেশ্যে নামাজের পূর্ব মূহুর্তে আজানের শব্দ বা বাক্য দ্বারা নামাজ আরম্ভ ...

বাকীটুকু পড়ুন »

মুয়াজ্জিনের আজানের পর দরূদ ও দোয়ার ফজিলত

আজান হলো নামাজের জন্য মানুষকে আল্লাহর পথে আহ্বান। আজান শুনার মাধ্যমেই মানুষ নামাজের দিকে দ্রুত ধাবিত হয়। আজানের কারণেই কিয়ামতের দিন মুয়াজ্জিনের ঘাড় সবার চেয়ে লম্বা হবে। মুয়াজ্জিনের আজান শুনার পর তার উত্তর দেয়ার পাশাপাশি দরূদ ও দোয়া করায় রয়েছে অনেক ফজিলত। হাদিসে পাকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আজানের উত্তর দেয়ার পর দরূদ পাঠ এবং দোয়ার ফজিলত বর্ণনা করেছেন। ...

বাকীটুকু পড়ুন »

প্রিয়নবির যে দরূদ পাঠে সম্পদে বরকত হয়

নিসাব পরিমাণ সম্পদের জাকাত আদায়ে সম্পদ বৃদ্ধি পায় এবং নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হয়। আবার প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর দরূদ পাঠেও ধন-সম্পদের বরকত হয়। জাকাত ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ ইবাদত, যা নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিকের ওপর আদায় করা ফরজ। কিন্তু যাদের নিসাব পরিমাণ সম্পদ নেই বা অসহায় নিঃস্ব; তাদের জন্যও জাকাতের সাওয়াব লাভের অন্যতম মাধ্যম হলো প্রিয়নবির প্রতি বেশি বেশি ...

বাকীটুকু পড়ুন »

দুনিয়া ও পরকালে কল্যাণ কামনার সর্বোত্তম দোয়া

জাহেলিয়াতের যুগের লোকেরা হজ সম্পাদনের পর একত্রিত হতো এবং নিজেদের পূর্ব পুরুষদের গৌরবের কথাবার্তা এবং বংশীয় মর্যাদা সম্পর্কে আলোচনায় মেতে ওঠতো। অতপর আল্লাহ তাআলা মানুষদেরকে হজ পরবর্তী সময়ে তাঁকে স্মরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন। তাদের মধ্যে অনেকে দুনিয়ার কল্যাণ কামনা করতো আর পরকাল সম্পর্কে বেখবর থাকতো। যেহেতু তারা পরকালীন চিরস্থায়ী জীবনের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতো না। আর এ কারণেই তাদের ...

বাকীটুকু পড়ুন »

মৃত্যুর স্মরণই পরকালে সফলতা লাভের উপায়

দুনিয়া আখেরাতের শষ্যক্ষেত্র। দুনিয়ার প্রতিটি কাজেরই হিসাব দিতে হবে পরকালে। তাই দুনিয়া যাতে মানুষকে পরকাল সম্পর্কে গাফেল করে না ফেলে, সে জন্য বেশি বেশি মৃত্যুর স্মরণ করতে হবে। কুরআন এবং হাদিসে পরকালের সফলতা ও ব্যর্থতা সম্পর্কে অনেক সতর্কতা ও সফলতার কথা বর্ণিত রয়েছে। এ সতর্কতা হলো- মৃত্যুর কথা স্মরণই মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার পরিধিকে সীমিত করে ফেলে। যার ফলে মানুষ পরকালে সফলতা ...

বাকীটুকু পড়ুন »

যে কারণে মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকা জরুরি

পৃথিবীতে কোনো মানুষের সন্তান হবে কি হবে না তা অনিশ্চিত। কিন্তু দুনিয়াতে মানুষসহ সব জীবের মৃত্যু সুনিশ্চিত। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।’ এ পৃথিবীর প্রত্যেক জীবের শেষ পরিণতি হলো মৃত্যু। এমনি করে একদিন এ পৃথিবীও ধ্বংস হয়ে যাবে। আল্লাহ বলেন, ‘এ পৃথিবীতে সবকিছুই ধ্বংসশীল।’ (সুরা আর-রহমান : আয়াত ২৬) যাকে সৃষ্টি না করলে আল্লাহ তাআলা ...

বাকীটুকু পড়ুন »
Open

Close