ব্রেকিং:
Home » খেলা » নারায়ণগঞ্জ নির্বাচনে নৌকা নাকি ধানের শীষ?

নারায়ণগঞ্জ নির্বাচনে নৌকা নাকি ধানের শীষ?

মাহমুদ আজহার, গোলাম রাব্বানী ও রফিকুল ইসলাম রনি : শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচন আজ। নির্বাচনকে ঘিরে উৎসবের আমেজ নগরজুড়েই। এ নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭ জন, কিন্তু আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে দুই প্রার্থীর প্রতীক নৌকা ও ধানের শীষ। নৌকার আইভী না ধানের শীষের সাখাওয়াত তা নিয়ে চলছে জল্পনা ও বিশ্লেষণ। তবে নগরপিতা যিনিই হোন না কেন হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের কথাই বলছেন নগরবাসী।

উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীকে না পরিবর্তনের স্লোগান নিয়ে আসা বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানকে বেছে নেবেন ভোটাররা—তার জন্য এখন শুধুই অপেক্ষা। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলবে। নতুন মেয়র ও কাউন্সিলর নির্বাচনে ভোট দেবেন পৌনে পাঁচ লাখ ভোটার। মেয়র পদে সাতজন প্রার্থীর মধ্যে আওয়ামী লীগের ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী ‘নৌকা’ এবং বিএনপির অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ভোটযুদ্ধে অংশ নিচ্ছেন।

এছাড়াও মেয়র পদের বাকি পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির মাহবুবুর রহমান ইসমাইল ‘কোদাল’, এলডিপির কামাল প্রধান ‘ছাতা’, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাসুম বিল্লাহ ‘হাতপাখা’, কল্যাণ পার্টির রাশেদ ফেরদৌস ‘হাতঘড়ি’ এবং ইসলামী ঐক্যজোটের মুফতি এজহারুল হক ‘মিনার’ প্রতীক নিয়ে এ ভোটে লড়ছেন। তবে এরমধ্যে কামাল প্রধান ও রাশেদ ফেরদৌস বিএনপির প্রার্থী সাখাওয়াতকে সমর্থন দিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশন জানায়, নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৯৩১ জন। মেয়র পদে সাতজন, ৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৩৮ জন এবং ২৭টি সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ১৫৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিন পদের জন্য ব্যালট ছাপানো হয়েছে ১৪ লাখ ২৪ হাজার ৭৯৩টি। ১৭৪ কেন্দ্রের ১৩০৪টি কক্ষে এসব ব্যালটে রায় জানাবেন ভোটাররা। ভোটের দায়িত্বে রয়েছেন প্রায় ৪ হাজার কর্মকর্তা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর সাড়ে ৯ হাজার সদস্য রয়েছেন ভোটের নিরাপত্তায়।

ভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গতকাল সকাল থেকে মাঠে দেখা গেছে র‌্যাবের ডগ স্কোয়াড ও বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট। বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনে চলছে তল্লাশি। পুলিশ, বিজিবির পাশাপাশি র‌্যাবের ৬০০ সদস্য এ নির্বাচনে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নরেশ চাকমা। নারায়ণগঞ্জে আজ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল মধ্যরাত থেকে আজ মধ্যরাত পর্যন্ত নৌযান, স্থলযান, বেবি টেক্সি, অটোরিকশা, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ, কার, বাস, ট্রাক, টেম্পো ও ইজিবাইকসহ সব যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে।

নাসিক নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে এরই মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঢাকা নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকেও সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনাররা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন। ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে দেওয়া হচ্ছে নিশ্চয়তাও। কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে নানা সামগ্রীও। পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মাহফুজুল হক নুরুজ্জামান গতকাল নারায়ণগঞ্জে এসে বলেছেন, কোনো গোলযোগ হলে তাত্ক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরকার ও আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সরকার বদ্ধপরিকর। সুষ্ঠুভোটে ফলাফল যাই হোক তা আওয়ামী লীগ মেনে নেবে। এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসনকেও সরকারের পক্ষ থেকে দিক-নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এদিকে বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, গতকাল পর্যন্ত নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশে বিএনপির নীতি-নির্ধারকরাও খুশি। এ জন্যই দলটির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ফলাফল পর্যন্ত তারা ভোটে থাকবেন। ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়ার

জন্যও কর্মীবাহিনী গঠন করা হয়েছে। ১৩শ দলীয় এজেন্টের তালিকা করে আজ ভোটকেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে।

স্থানীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ভোটের আগের দিনও নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু রয়েছে। এতে আশা করা হচ্ছে, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট হবে। নিকট অতীতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তুলনায় এবার নাসিক নির্বাচনের পরিবেশ পুরোপুরি ভিন্ন। উৎসবের আমেজ পুরো নারায়ণগঞ্জে। আইভী আবার ফিরে আসা না সাখাওয়াতের উত্থান—এ নিয়েও দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভোটাররা। তবে শঙ্কা রয়েছে কাউন্সিলর প্রার্থীদের নিয়ে। গত দুইদিন ধরেই বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর প্রার্থীর বিরুদ্ধে টাকা ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। মেয়র প্রার্থীদের চেয়ে আজ কাউন্সিলর প্রার্থীদের নিয়েই সবার মধ্যেই টেনশন কাজ করছে।

নাসিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সমন্বয়কারী ও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরুল্লাহ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘আমাদের প্রধান লক্ষ, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হওয়া। সেই স্বাক্ষর আমরা রেখেছি। দলীয় প্রতীকে এ নির্বাচন হলেও একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। ভোটারদের উপস্থিতিও বাড়বে। নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে। ’ নাসিক নির্বাচনে বিএনপির সমন্বয়কারী দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় জানান, ‘সুষ্ঠু ভোট হলে আমরা জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। আজ রাতের মধ্যে (বুধবার) যদি কোনো সমস্যা না হয় এবং কাল যদি ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়ে নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন, তাহলে বিএনপির জয় ঠেকানো যাবে না। শেষ বেলায় নির্বাচন কমিশনকে বলব, আর নিজেদের কলঙ্কিত করবেন না। ’

কেন্দ্রে কেন্দ্রে বাক্স-ব্যালট : নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কেন্দ্রে ভোটের সরঞ্জাম পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত ১২টায় রাজধানীর লাগোয়া এই সিটিতে সব ধরনের প্রচারণা শেষ হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, গতকাল ১১টায় শহরের আদালতপাড়ায় রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে নির্বাচনী সরঞ্জাম কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স, ব্যালট পেপার, প্যাড, সিল, অমোচনীয় কালিসহ অন্যান্য উপকরণ পুলিশি পাহারায় পাঠানো হয়েছে ১৭৪টি ভোটকেন্দ্রে। এসব সরঞ্জামের মধ্যে সুই, সুতা, সুপার গ্লু, স্ট্যাপলার, ভোটার তালিকা, কার্বন পেপার, মোমবাতি, স্কেল, কলমসহ ৬০টির বেশি উপকরণ রয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তা নূরুজ্জামান তালুকদার বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘আমরা যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ১৭৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৩৭টিতে বেশি নজর দেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে। ’

ইসির প্রচারপত্র বিলি : নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে গতকাল নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ভয় ও শঙ্কা দূর করে ভোটকেন্দ্রে যেতে জনসচেতনতামূলক লিফলেট (প্রচারপত্র) বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল বিকাল ৪টায় শহরের চাষাঢ়া জিয়া হলের সামনে রিটার্নিং অফিসার নূরুজ্জামান তালুকদার জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়া, পুলিশ সুপার মঈনুল হক, র‌্যাব ১১ এর সহকারী অধিনায়ক নরেশ চাকমা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিএম) সরোয়ার আলম, র‌্যাব, পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে নিয়ে এই প্রচারপত্র বিতরণ করেন।

৩২০ পর্যবেক্ষক : নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৩২০ পর্যবেক্ষক ভোট দেখবেন। ৯টি স্থানীয় সংস্থার ৩১৮ জন ও একটি বিদেশি সংস্থার দুজন পর্যবেক্ষক। ৯টি সংস্থার ১৮৫ জন স্থানীয়ভাবে ও এদের মধ্যে সাতটি সংস্থার ১৩৩ জন কেন্দ্রীয়ভাবে ভোট পর্যবেক্ষণ করবেন এবং এশিয়া ফাউন্ডেশনের দুই বিদেশি পর্যবেক্ষকও থাকবেন। ইসির জনসংযোগ পরিচালক এস এম আসাদুজ্জামান জানান, পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলো প্রতি দলের সর্বোচ্চ ৫ জন করে ভ্রাম্যমাণ হিসেবে ভোট পর্যবেক্ষণ করবে। কোনো কেন্দ্রে বা বুথে স্থায়ীভাবে কোনো পর্যবেক্ষক অবস্থান করতে পারবেন না। সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং কর্মকর্তার অনুমতি সাপেক্ষে স্বল্প সময়ের জন্য ভোটকক্ষে প্রবেশ করতে পারবেন।

ভোটে প্রস্তুত ইসি : নির্বাচন কমিশন এরই মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। গতকাল সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন নির্বাচন কমিশন সচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে সিটি করপোরেশন নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠানের সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। সব ধরনের শঙ্কা দূর করে আজ আনন্দমুখর পরিবেশে নারায়ণগঞ্জে ভোট হবে। শঙ্কা দূর করে সুষ্ঠুভাবে ভোট করার সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কোথাও অনিয়ম হলেই কঠোর ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা রয়েছে। কারও ব্যর্থতার জন্য ভোট বিঘ্নিত হলেই দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর তৎপরতার কথা তুলে ধরে ইসি সচিব জানান, নিরাপত্তায় এমন ব্যবস্থা রয়েছে যাতে মনে হবে, ভোটারদের চেয়ে কোনোভাবেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর সদস্য কম নয়। আজ সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোট চলবে নারায়ণগঞ্জে। দলীয় প্রতীকের এ নির্বাচনকে ঘিরে প্রার্থী ও দলে উত্তাপের মধ্যে ভোটের প্রস্তুতি নিয়ে গতকাল সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ইসি সচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ।

নিরাপত্তা বলয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি : আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মাঠে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর সদস্যরা। সুষ্ঠুভাবে ভোট করতে সিটি এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে। সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এ নির্বাচনে সোমবার থেকে ২২ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মাঠে নেমেছে। এর মধ্যে ১০ প্লাটুন থাকবেন সিদ্ধিরগঞ্জে। এছাড়া শহর এলাকায় ৭ প্লাটুন ও বন্দর এলাকায় ৫ প্লাটুন বিজিবি থাকবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে পুলিশের তিনটি করে মোট ৮১টি টিম টহলে থাকবে।

প্রতিটি টিমের সদস্যসংখ্যা হবে ১২ জন। নির্বাচনী সময়ে শিল্প পুলিশের ২০০ জন সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। জানা গেছে, পুলিশের ৪ হাজার, র‌্যাবের ৬০০, বিজিবির ২২ প্লাটুন, কোস্টগার্ড ৩ প্লাটুন ও আনসারসহ প্রায় সাড়ে ৯ হাজার সদস্য। ভোটের পরদিন পর্যন্ত তারা দায়িত্ব পালন করবেন। ভোটকেন্দ্রে ২৪ জন করে অস্ত্রসহ পুলিশ সাতজন, অস্ত্রসহ ব্যাটালিয়ন আনসার তিনজন, অঙ্গীভূত আনসার/ভিডিপির ১৪ সদস্যসহ মোট ২৪ জন থাকবে প্রতিটি কেন্দ্রে। নির্বাহী হাকিম ৫ ডিসেম্বর থেকে মাঠে রয়েছেন ২৭টি ওয়ার্ডে। আইশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর সঙ্গে ভোটের দিন আরও ৯ জন যোগ হবেন। এ সময় বিচারিক হাকিম মাঠে থাকবেন ১৪ জন।

বিশেষ নজরদারিতে ১৩৭টি ভোটকেন্দ্র : নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ডে ১৭৪টি কেন্দ্র ও ১ হাজার ৩০৪টি ভোটকক্ষ রয়েছে। এ নির্বাচনে ১৩৭টি কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ, যা মোট কেন্দ্রের শতকরা ৭৯ ভাগ। একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী ঝুঁকিপূর্ণ ওই সব কেন্দ্রে নির্বাচনে গোলযোগের শঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া এ নির্বাচনের তিনটি পদের জন্য ১৪ লাখ ২৪ হাজার ৭৯৩টি ব্যালট ছাপানো হয়েছে। ইসি কর্মকর্তা জানান, ১৭৪ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৩৭ কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ২৪ জন করে নিরাপত্তা সদস্য নিয়োজিত রাখা হচ্ছে।

ফ্ল্যাক্সি-বিকাশে ভোট কেনা : এদিকে কাউন্সিলর প্রার্থীদের বিরুদ্ধে বিকাশ ও মোবাইল রিচার্জের মাধ্যমে টাকা দিয়ে ভোট কেনার অভিযোগ রয়েছে। গতকাল বেশ কয়েকটি বিকাশের দোকানদার ও মোবাইল রিচার্জ পয়েন্টের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে। এ ছাড়াও কাউন্সিলর প্রার্থীরা গত কয়েকদিন ধরে নানা উপঢৌকন ছাড়াও নগদ অর্থ বিলি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ভোট কেনাসহ নানা অভিযোগে নির্বাচন কমিশন গতকাল পর্যন্ত ২৫ জন কাউন্সিলরকে জরিমানা করেছেন। বিডি প্রতিদিন

 

Facebook Comments
(Visited 1 times, 1 visits today)

মন্তব্য

আপনার ইমেইল গোপন থাকবে - আপনার নাম এবং ইমেইল দিয়ে মন্তব্য করুন, মন্তব্যের জন্য ওয়েবসাইট আবশ্যক নয়

*

Open

Close